মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার ঘটনা সারা দেশবাসীকে বড়সড় ঝটকা দিয়েছে। রবিবার রহস্যজনক ভাবে মুম্বইয়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় নায়কের মৃতদেহ। মাত্র ৩৪ বছর বয়সে মৃত্যু হল সুশান্ত সিং রাজপুতের। গত ৬ মাস ধরে ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন তিনি।

অভিনেতার নশ্বর মৃতদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই রিপোর্ট জানাচ্ছে, ফাঁস লেগে শ্বাসকষ্টের জেরে মৃত্যু।

তবে তার আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। এখনও ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে মুম্বই পুলিশ অভিনেতার মেডিকেল রেকর্ড সহ কিছু জিনিস উদ্ধার করেছে।

আরও পড়ুন – ব্রেকআপের পরেও প্রাক্তন গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে কী বলতেন সুশান্ত, জানালেন তাঁর বান্ধবী

সুশান্তের বাড়িতে রয়েছেন তাঁর বাবা ড. কে কে সিং, আছেন বড় ভাই ও দুই বোন। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই মাকে হারিয়েছিলেন সুশান্ত। তবে নিজের মা’কে সবসময় মনে করতেন সুশান্ত।

রবিবার গভীর রাতে অভিনেতার পরিবারের সদস্যরা পটনা থেকে মুম্বইয়ের কালিনা বিমানবন্দরে আসেন। সোমবার মুম্বইতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবার কথা।

করোনভাইরাসের জেরে পরিবারের সীমিত সংখ্যক সদস্যকে সুশান্ত সিং রাজপুতের শেষকৃত্যে অংশ নিতে দেওয়া হবে। পরিবারের বাকিরা দূর থেকেই বিদায় জানাবেন তাঁদের একান্ত প্রিয়জনকে।

সুশান্ত সিং রাজপুত বেশ কয়েকটি সিনেমা ও টেলিভিশন শোতে অভিনয় করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জন্য জায়গা করে নিয়েছিলেন। ২০১৩ সালে কাই পো চে দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি।

তাঁর অকাল মৃত্যুতে শোকে ভাসছে তাঁর পরিবার সহ তাঁর ফ্যানেরাও। দেশের বিভিন্ন মহল থেকে এই মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।