মুম্বই: প্রাক্তন প্রেমিকা অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখান্ডের কাছে কৃতজ্ঞ ছিলেন প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। এমনই জানিয়েছেন সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট লিপাক্ষী ইয়েলাওয়াদি। লিপাক্ষী সুশান্তের খুব কাছের একজন বন্ধু ছিলেন।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে লিপাক্ষী বলেছেন, “আমি বিশ্বাস করতে পারছি না এই ঘটনাটা ঘটেছে। খুবই অতিরিক্ত এবং আমার কোন ধারণা নেই ওর সঙ্গে ঠিক কী হয়েছিল।” অঙ্কিতা লোখান্ডে সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেছেন এই সেলিব্রেটি স্টাইলিস্ট।

বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুশান্তকে চিনতেন লিপাক্ষী। তিনি বলছেন, “সুশান্ত এবং আমি একসঙ্গে বেশ কিছু বিজ্ঞাপনে কাজ করেছিলাম। সেখান থেকেই পরস্পরকে চিনতে পারি। কেন্ডাল জেনারের একটি শুটেও আমরা একসঙ্গে কাজ করেছিলাম। তখন থেকেই আমাদের মধ্যে খুব বন্ধুত্ব হয়ে যায়। ও খুবই প্যাশনেট একজন মানুষ ছিলেন। শুটের পর ঘন্টার পর ঘন্টা কথা হতো আমাদের। ও ওর কবিতা পড়ে শোনাতো এবং অনেক লেখালেখি করত। সুশান্তের সঙ্গে যে কোনও বিষয় নিয়ে কথা বলা যেত। ও জীবনে অনেক বড় হতে চাইত। অন্যরা যখন সোশালাইজ করতো আমি আর সুশান্ত বসে আধ্যাত্মিকতা নিয়ে কথা বলতাম। আমরা দুজনেই আমাদের মাকে হারিয়েছিলাম। তাই আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ভালো হয়েছিল।”

লিপাক্ষী জানিয়েছেন সুশান্তের বাড়ি গিয়ে তাঁর প্রজেক্টরে সিনেমাও দেখেছিলেন তিনি। তিনি জানাচ্ছেন সিনেমার ব্যাপারে অনেক রকমের কথা বলতেন সুশান্ত। লিপাক্ষী বলছেন, “ও খুব কথা বলত। আমি মাঝেমাঝে বলতাম, এবার তুই চুপ কর। আমরা শুধু বন্ধু ছিলাম না। আমাদের মধ্যে একটা কম্ফর্ট লেভেল তৈরি হয়েছিল।” লিপাক্ষী জানাচ্ছেন বিভিন্ন রকমের পার্টি ইভেন্টে যেতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন না সুশান্ত। একটু লজ্জাই পেতেন।

ইন্ডাস্ট্রিতে যে সুশান্তের অনেক বন্ধু ছিল তেমন নয়। সেলেব্রিটি স্টাইলিস্ট বলছেন, “আমি ভাবতে পারছি না ওর মত একজন মানুষের এমন অবস্থা হবে যে নিজেকে একদিন সম্পূর্ণ মূল্যহীন মনে করবে। ইন্ডাস্ট্রিতে ভালোর পাশাপাশি একটা অন্ধকার দিক রয়েছে। আমাদের বেশিরভাগেরই সত্যিকারের বন্ধু নেই। খুব কম মানুষ আছেন যাঁরা আপনাকে সঠিক পথ দেখাবেন। আমি যতদূর জানি ওর বন্ধুরা সবাই ফিল্মের বাইরের সাধারণ জগত থেকে ছিলেন। ও বলতো স্কুল ও কলেজের থেকেই ওর বেশি বন্ধু ছিল। কিন্তু এখানেও দরকারে বন্ধুত্ব করতে হয়।”

প্রাক্তন প্রেমিকা অঙ্কিতার কাছে কৃতজ্ঞ ছিলেন সুশান্ত। লিপাক্ষী জানাচ্ছেন, “আমরা একদিন কথা বলছিলাম। ও বলেছিল অঙ্কিতার কাছে ও কতটা কৃতজ্ঞ বোধ করে। ও বলতো টেলিভিশনে থাকার সময় অঙ্কিতা সবসময় ওর পাশে ছিল এবং সাপোর্ট করতো সেই স্ট্রাগলের সময়ে। ও পরে একজন স্টার হয়। কিন্তু সেখানে পৌঁছে ও অঙ্কিতার প্রতি কৃতজ্ঞ হতে ভুলে যায়নি কখনো। ও হয়তো অঙ্কিতার সঙ্গে ছিল না। কিন্তু ও সব সময় এই কথাটা বলতো।”

বন্ধু তথা সেলিব্রিটি স্টাইলিশ জানাচ্ছেন, “সুশান্ত অনেক কথা বলতে ভালোবাসতো। কিন্তু ও কখনো নিজের দুঃখ ব্যথা এগুলো নিয়ে কথা বলত না। ও সব সময় ভালো কথা বলতো। ওর সঙ্গে কথা বলে কেউ বুঝতেই পারতো না যে ও এত ডিপ্রেশনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে ওর বেশি বন্ধু ছিল না। তবে ও আমার কাছে শুধুমাত্র একজন অভিনেতা থেকে অনেক বেশি ছিল।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।