মুম্বই : ছেড়ে চলে গিয়েছেন। কিন্তু এখনও যেন বিশ্বাস হচ্ছে না আমাদের মধ্যে নেই অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। বুধবারই সুশান্তের অস্থি নিয়ে পটনা ফিরে গিয়েছেন অভিনেতার পরিবারের লোকজন। ছিলেন তাঁর বাবা কে কে সিং, বোনেরা ও অন্যান্য আত্মীয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সুশান্তের এক দিদি শ্বেতা সিং কীর্তি ফেসবুকে জানান, বৃহস্পতিবারই গঙ্গায় এই অভিনেতার অস্থি বিসর্জন করা হবে।

শ্বেতা এদিন সুশান্তের ভক্তদের কাছে জীবন নিয়ে না খেলা করতে আবেদন করেছে। তারই সাথে সুশান্তের আত্মার শান্তি কামনা করার জন্যও প্রার্থনা করার আবেদন রাখেন তিনি। এর আগে, সুশান্তের কষ্ট না বুঝতে পারার জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন শ্বেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইয়ের উদ্দেশ্যে একটি নোটও লেখেন তিনি।

এদিকে, অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার ঘটনায় বলিউডি শত্রুতার তত্ব বেশ কয়েকদিন ধরেই উঠে আসছিল। এবার তাতে শিলমোহর দিয়ে মামলা দায়ের হল। বিহারের মজফফরপুরের একটি আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে তাবড় তাবড় বলিউডি ব্যক্তিত্বের।

এই মামলায় জড়িয়ে পড়েছেন সলমন খান, করণ জোহর, সঞ্জয় লীলা বনশালি, একতা কাপুর। আইনজীবী সুধীর কুমার ওঝা এঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০৬, ১০৯, ৫০৪ ও ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে খবর।

সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া তথ্যে সুধীর কুমার জানিয়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুত অসম্ভব মানসিক চাপে ছিলেন এই ব্যক্তিদের জন্যই। পরপর সিনেমার অফার দিয়েও তা থেকে সরিয়ে দেওয়া, বেশ কিছু ফিল্ম মুক্তি না পেতে দেওয়ার মত ঘটনা ঘটিয়েছেন এই ব্যক্তিত্বরা। যার জেরেই চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন অভিনেতা। ফলে নেপোটিজম নিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউডের একাংশ। সুশান্তের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন কঙ্গনা রানাওয়াত, প্রকাশ রাজ, অভিনব কাশ্যপ সহ অনেকেই।

সুশান্তের আত্মহত্যার পিছনে বলিউডের নেপোটিজম এর বড় ভূমিকা রয়েছে,এমন অভিযোগ উঠছে। এই জল্পনাকে উসকে দিয়ে রাজনৈতিক নেতা সঞ্জয় নিরূপম একটী ট্যুইটে দাবি করে ছিলেন, পরপর ৭টি ছবিতে সাইন করেছিলেন সুশান্ত। আর ৬ মাসে একের পর এক সেই সাতটি ছবি হাতছাড়া হয়েছে অভিনেতার।

তিনি লিখেছেন ছিছোঁড়ে ছবির সাফল্যের পরই ওই ছবিগুলিতে সই করেন সুশান্ত। কিন্তু সেগুলো পরপর হাতছাড়া হয় বলে অভিযোগ। তাঁর অভিযোগ ছিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির নিষ্ঠুরতা অন্যমাত্রায় কাজ করে। আর সেই নিষ্ঠুরতার জন্যই প্রতিভাবান শিল্পীদের মরে যেতে হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।