মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর কারণ কী তা এখনো স্পষ্ট নয়। যদিও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে থেকে জানা যাচ্ছে নেপোটিজমের শিকার হয়েছিলেন অভিনেতা। অবসাদে চলে যাবার পিছনে বলিউডের নেপোটিজম বা স্বজনপোষণের বিরাট ভূমিকা ছিল। আর তাই এবার সুশান্তের পরিবার লঞ্চ করল নেপোমিটার অ্যাপ।

নাম শুনেই বোঝা যায় যে এই অ্যাপটি নেপোটিজমের সঙ্গে সম্পর্কিত। কিন্তু এর কাজ কী? নেপোমিটার অ্যাপটি পরিমাপ করবে কোন ছবির কাস্টে নেপোটিজম বা স্বজনপোষণের মাত্রা কতটা। কোনও ছবি মুক্তি পাওয়ার আগেই নেপোমিটার এই কাজ করবে এবং দর্শকদের জানাবে। অর্থাৎ কোন ছবিতে ফিল্মি পরিবার থেকে কজন অভিনেতা আছে তা পরিমাপ করেই বিচার হবে সেই ছবিতে কতটা নেপোটিজম রয়েছে।

সুশান্তের পরিবার থেকে লঞ্চ করা এই নতুন অ্যাপ নেপোমিটার সম্প্রতি ‘সড়ক ২’ ছবিটিতে স্বজনপোষণের মাত্রা ৯৮ শতাংশ রয়েছে বলে দাবি করেছে। কারণ এই ছবির চারটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফিল্মি পরিবারের অভিনেতারা। এই চারটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলিয়া ভাট, পূজা ভাট, আদিত্য রায় কাপুর, এবং সঞ্জয় দত্ত।

পুরনো সড়ক ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন নানাভাই ভাট। সড়ক ২ পরিচালনা করেছেন মহেশ ভাট। প্রযোজক মুকেশ ভাট। আর সেই ভাট পরিবার থেকেই দুই অভিনেত্রী অর্থাৎ আলিয়া ও পূজা এই ছবিতে অভিনয় করেছেন। আর তাই নেপোমিটার দাবি করেছে এই ছবিতে স্বজনপোষণ রয়েছে ৯৮ শতাংশ।

প্রসঙ্গত সুশান্তছর মৃত্যুর কারণ হিসেবে অনেকেই দায়ী করছেন স্বজনপোষণকে। বলিউডে এই স্বজনপোষণের ধ্বজাধারী হিসেবে প্রথমেই যে নামগুলি উঠে আসছে সেগুলি হল করণ জোহর, সলমন খান, মহেশ ভাট। যদিও নেপোটিজম যে মৃত্যুর পিছনে আসল কারণ তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে। ইতিমধ্যেই ২৮ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মুম্বই পুলিশ। এদের মধ্যে রয়েছেন সুশান্তের বন্ধুবান্ধব, পরিবার, এবং কর্মসূত্রে যুক্ত কয়েকজন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে যশরাজ ফিল্মসের কাস্টিং ডিরেক্টরকেও। সম্প্রতি পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনসালিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করেছে মুম্বই পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ