মুম্বই- রিয়া চক্রবর্তী ও তার ভাই সৌভিক চক্রবর্তীকে দীর্ঘক্ষন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। মানি লন্ডারিং এর কোনও যোগসূত্র আছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁদের। মঙ্গলবার সুশান্ত রিয়ার বিজনেস ম্যানেজার শ্রুতি মোদিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি।

এই দিনটাকে তৃতীয়বারের জন্য জেরা করা হয়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু তথ্য শ্রুতি মোদিকে জমা দিতে বলা হয় ইডি অফিসে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় শ্রুতি মোদী জানান সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে কোনোরকমের বেআইনি ট্রানজেকশন হয়েছে কিনা সেই সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকার কোনরকম নয়ছয় হয়েছে কিনা তাও জানেন না বলে জানিয়েছেন শ্রুতি। কিন্তু তিনি জানিয়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুতের সমস্ত রকমের সিদ্ধান্ত নিতেন তার বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী। পেশাগত জীবনে বা আর্থিক বিষয়ে যা কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার হত সুশান্তের হয়ে রিয়া নিতেন বলে জানিয়েছেন শ্রুতি মোদী।

রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে যখন সম্পর্ক শুরু হয় সুশান্তের ঠিক তখনই বিজনেস ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন শ্রুতি। এমনকি ২০২০-র ফেব্রুয়ারি মাসের পর সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে সরাসরি সেভাবে কথাবার্তা হতো না বলেও তিনি জানিয়েছেন। কারণ এই সময়ের পরে কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তখন। সুশান্ত সিং রাজপুতের পরিবারও একই অভিযোগ করেছিল।

তারাও জানিয়েছিল সুশান্তের যেকোনো বিষয়ের সিদ্ধান্ত নিতেন রিয়া চক্রবর্তী। আর্থিক বিষয় হোক বা কোনো ছবিতে কাজ করার বিষয়, সুশান্তর হয়ে মতামত ও সিদ্ধান্ত নিতেন তার বান্ধবী। মঙ্গলবার এর আগে শ্রুতি মোদিকে ৭ ও ১০ অগাস্ট জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি।

৩১ জুলাই রিয়া চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের মামলা করে ইডি। এই প্রসঙ্গে রিয়া ও তার পরিবারকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। জুলাই মাসে রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন সুশান্ত সিং রাজপুতের বাবা কে কে সিং।

আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া, প্রতারণা করা এবং ওষুধের ওভারডোজে অসুস্থ করার অভিযোগ উঠেছে রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। এছাড়াও সুশান্তের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেআইনিভাবে ১৫ কোটি টাকা অন্য একটি ব্যাংকে ট্রান্সফার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কে কে সিং। ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও