নিউ ইয়র্ক: বিশ্বের গিনিস বুকে সর্বাধিক বয়স নিয়ে ১১৬ বছরে পা রাখলেন সুসান্না মুসাট জোনস৷ সোমবার তাঁর দীর্ঘায়ুর রহস্য জানাতে গিয়ে নিজের অতিরিক্ত ঘুমের কথাই তিনি বলেছেন গিনিস বুক কর্তৃপক্ষকে৷ তবে সুসান্নার পরিবারের মতে তাঁর সামাজিক কল্যানকর কাজকর্ম এবং পরিবারের প্রতি ভালোবাসাই তাঁকে পৃথিবীতে সযত্নে রেখে দিয়েছে এতো বছর৷

জোনসের জন্ম হয়েছিল মন্টগোমারির কাছে একটি ছোট গ্রামে৷ জুলাই মাসের ছয় তারিখ ১৮৯৯ সালে তিনি প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন৷ তাঁরা ১১ জন ভাইবোন ছিলেন৷ জোনস ১৯২২ সালে হাই স্কুল থেকে তাঁর গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন৷ এরপর থেকেই তিনি নানা উপায়ে অর্থ উপার্জন এবং পরিবারকে সাহায্য করতে শুরু করেন৷ প্রথমে শষ্যদানা তোলার কাজ এরপরে ন্যানির কাজ করেন তিনি৷ সেখানেই থেমে থাকেন নি তিনি৷ চলে গিয়েছিলেন নিউ ইয়র্ক৷ জোনসের নিজের সন্তান কোনও দিন হয় নি৷ কিন্তু তিনি শিশুদের দত্তক নিয়েছিলেন৷ বেশিদিন বিবাহিত জীবনও কাটে নি জোনসের৷ নিউইয়র্কে আসার পরে জোনস তাঁর হাই স্কুলের গ্রেজুয়েট বন্ধুদের সঙ্গে আফ্রিকান আমেরিকান মহিলাদের কলেজে পাঠানোর জন্য একটি ফান্ড তৈরি করেন৷ তা থেকে তাদের স্কলারশিপ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়৷

বর্তমানে জোনস গ্লুকমায় আক্রান্ত৷ তাঁর দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ এবং তার শ্রুতিশক্তিও খুবই দুর্বল৷ জোনস প্রতি চার মাস অন্তর একবার করে ডাক্তারের কাছে যান৷ উচ্চ রক্তচ্চাপ এবং মাল্টি ভিটামিনের ওষুধ খান তিনি৷ এছাড়া আর কোনও বিশেষ শারীরিক অসুস্থতা নেই জোনসের৷

জোনস তার জন্মদিনে দু দিন পৃথকভাবে উদ্জাপন করতে চান৷ একদিন তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে এবং আরেকদিন তিনি কাটাবেন তাঁর বন্ধু ও হাউসিংয়ের সদস্যদের সঙ্গে৷

এই সংক্রান্ত আরও খবর

১.দেশে কমছে না মেয়েদের বিয়ের বয়স

২.১০২ বছর বয়সে পিএইচডি করলেন বৃদ্ধা

৩.রাজধানীতে মদ্যপানের বয়স কমছে!!

৪.১০৪-এর কিশোরীর মৃত্যু ১৭ বছর বয়সে