রায়গঞ্জ: দেশ জুড়ে স্বৈরাচারী শাসক চলছে। দিল্লিতে সার্কাস চালাচ্ছে নরেন্দ্র মোদী। রাজ্যেও সার্কাস চলছে। পঞ্চাশ হাজারের বেশি কমরেড এখনও ঘরছাড়া। জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি জনপ্রতিনিধিদের গরু, ছাগলের মতো কিনে চলেছে তৃণমূলের নেতারা।

শনিবার রায়গঞ্জের মহারাজা হাটে পশ্চিমবঙ্গ প্রাদেশিক কৃষক সভার ২৩ তম জেলা সম্মেলন উপলক্ষ্যে প্রকাশ্য সমাবেশে এমনই মন্তব্য করেন সিপিএম-এর রাজ্য সম্পাদক ড. সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দল বলে আর কাউকে রাখতে চাইছে না শাসক দল। বিরোধী দলের মর্যাদা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আর সাতদিন আছে মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি যে, কিভাবে রাজ্যকে বিরোধী শূন্য করবেন তা করে দেখান। রাষ্ট্র ও রাজনীতির সঙ্গে ধর্মকে মিশিয়ে নোংরা রাজনীতি করা হচ্ছে। তিনি জানতে চেয়েছেন, ‘দাঙ্গার আগুন কি বিচার করতে পারে কোনটা হিন্দুর বাড়ি আর কোনটা মুসলমানের বাড়ির চালা?’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশ্যে রাজ্যের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আপনি কোন তালাকের মধ্যে পড়েন। ওরা তাজমহল ভাঙতে চাই। দাবি, ওখানে নাকি শিব মন্দির ছিল। বিজেপির জন্মদাতাদের একজন নাথুরাম গর্ডসে গান্ধীজিকে খুন করেছিলেন। আর আপনারা হিন্দুত্ব দেখাচ্ছেন।”

সূর্যকান্তবাবু আরও জানিয়েছেন যে আরএসএস রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলেই মাথা তুলেছে। আরএসএস-এর সঙ্গে গোপনে জোটবদ্ধ হয়ে তৃণমূল দাঙ্গা বাধাচ্ছে গ্রামে গ্রামে। নোট বাতিলের পরেই মুখ্যমন্ত্রী লাফাচ্ছে কেন? আপনি ভাবছেন দলের অনেক টাকা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভাববেন না সব কালো টাকা সাদা হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেশের যুবক-যুবতীদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন পাঁচ কোটি যুবক-যুবতীকে কাজ দেবেন। কোথায় গেল সেই কাজ? ছোট শিল্প সব বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অন্যান্য রাজ্য থেকে কাজ হারিয়ে ফিরে আসছে এরাজ্যের সকলে। এদিন ডাঃ সূর্যকান্ত মিশ্র তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপিকে চাঁছাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন। কৃষক সভার সমাবেশ হলেও ছাত্র-যুব-মহিলা ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বক্তব্য রাখেন সিপিএম-এর জেলা সম্পাদক অপূর্ব পাল, কৃষক সভার জেলা সম্পাদক পরিতোষ রায় প্রমুখ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।