কলকাতা: পুজোর বাজার করতে যেভাবে মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে তা দেখে ইতিমধ্যেই চিন্তিত চিকিৎসকমহল। আশঙ্কা পুজো মণ্ডপে মানুষের ভিড়ের ঠেলায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। ডাক্তারদের সাবধানবাণীকে সমর্থন করে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সূর্যকান্ত মিশ্র টুইট করে জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে এই সময়পোযোগী সতর্কবার্তাকে সমর্থন করি। ‘শারদোৎসব যেন শোকের কারণ না হয়ে ওঠে। রাজ্য সরকারকে শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে।’ প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। চলতি মাসের ১১ দিনে প্রায় ৩৮ হাজার মানুষ করোনাই আক্রান্ত হয়েছে।

ইতিমধ্যেই হাসপাতালে রোগী তুলনায় বেডের অভাব রয়েছে সেখানে যদি উৎসবের পর সংক্রমণ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায় তাহলে পরিস্থিতি কেমন ভাবে সামাল দেবে তাই নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক এবং জন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তারা। উদ্বিগ্ন হয়ে পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করে প্রশাসনকে বারবার চিঠি দিয়েছেন চিকিৎসকরা। আর চিকিৎসকদের সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দিয়ে সূর্যকান্ত মিশ্র টুইট করলেন।

এদিকে স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন থেকে জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্ত হয়ে এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন ব্যক্তির সংখ্যা ৩০ হাজারের মতো। সেখানে গোটা রাজ্যে মোট করোনা চিকিৎসার শয্যা সংখ্যা ১২,৭১৫। অর্থাৎ হাসপাতালের বেডের একটা বড় ঘাটতি ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে। এরপর যদি উৎসবে মেতে আরও মানুষ আক্রান্ত হয় তাহলে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করবে।

তাছাড়া কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন করোনা মহামারী আরো মারাত্মক আকার নিতে পারে। শীতে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎসবে মানুষের ভিড়ে তা ব্যাপক হারে ছড়াতে পারে। তিনি দেশবাসীকে ভিড় এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দিয়েছেন এবং ঘরের মধ্যে থেকেই উৎসব পালনের আবেদন জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।