স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পীযুষ গোয়েলের বাজেট বক্তব্যকে বিশ্লেষণ করে করেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র৷ গোয়েলের মুখে মোদী সরকারের বাজেট ঘোষিত হওয়ার পর তা কতটা জনমোহিনী তা প্রকাশ্যে আনতে চেয়েছে সিপিএম৷ মোদীর বাজেটের পর্দাফাঁস করতে নেমেছেন সূর্যকান্ত৷

পীযুষের ঘোষণা :- ২ হেক্টরের কম জমির মালিকদের বছরে ৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে৷ বছরে তিনটি কিস্তিতে এই টাকা কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সরাসরি দিয়ে দেওয়া হবে৷ এর ফলে দেশের ১২ কোটি ছোট ও মাঝারি কৃষকরা উপকৃত হবেন৷

সূর্যকান্তের বক্তব্য :- সারা দেশের কৃষকরা মাথা পিছু ১ টাকা প্রতিদিন পাবে৷ কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা৷ মূল অর্থনৈতিক সমস্য এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে৷ মোদী সরকার জাতীয় নমুনা সমীক্ষার রিপোর্ট চেপে যেতে চেয়েছিল৷ পারেনি৷ প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে৷ সেখানে দেখা গিয়েছে ৪০ শতাংশ কৃষক জমী চাষ করতে চায়না৷ চাষি চাষ করা ছেড়ে দিনে কী হবে? বামপন্থীরা এমএসপি বা নুন্যতম সহায়ক মূল্য ৫০ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছিল৷ স্বামীনাথন কমিটির সুপারিশ লাগু করতে বলেছিল৷ তা করেনি সরকার৷ তবে হ্যা, এতটুকু করেছে – দেশে কৃষক আন্দোলন, কৃষক মিছিলের জন্যই৷ যে কৃষকের জমি নেই তাঁরা কী করবেন৷ জমির মালিক টাকা পাবে, লিজ নিয়ে চাষ করে যে চাষিরা তাঁদের কী হবে? তাঁরা কিছুই পাবে না৷ সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করেছেন৷ কিন্তু ওই টাকা কোথা থেকে আসবে কিছু দিশা দেখায় নি৷ তবে আগামী বার সরকারকে এই খাতে ৭৫ হাজার কোটি টাকা ঘোষণা করতে হবে৷

পীযুষের ঘোষণা :- প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পেনশন পাওয়া যাবে৷ দেশের অসংরক্ষিত শ্রমিক কর্মীরা অবশ্য এমনিতেই এই পেনশন পাবেন না৷ এই পেনশন পেতে গেলে মাসে ১০০ টাকা জমা রাখতে হবে৷ যদি শ্রমিক কর্মচারীদের বয়স ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে হয় তবে তার মাসে ৫৫ টাকা রাখলেই হবে৷ তবে ২৯ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স হলে ১০০ টাকা জমা রাখতে হবে৷ অসংরক্ষিত শ্রমিক-কর্মচারীরা এই পেনশন পাবেন ৬০ বছর বয়সের পর থেকে৷ ততদিন পর্যন্ত টাকা প্রতিমাসেই টাকা জমা দিয়ে যেতে হবে৷ প্রকল্পটির নাম প্রধানমন্ত্রী শ্রমযোগী যোজনা৷ তবে আবেদনকারী শ্রমিকদের মাসিক রেজগার মাসে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে হবে৷

সূর্যকান্তের বক্তব্য:- প্রতি মাসে শ্রমিকদের ১০০ টাকা দিতে হবে৷ অর্থাৎ বছরে ১২০০ টাকা৷ ৩২ বছর পর পেনশন পাওয়া যাবে৷ ওই সময় মাসে ৩০০০ টাকার কী দাম থাকবে? মোদী সরকার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে৷ ওই টাকা কোথা থেকে আসবে৷ এছাড়া ওই টাকা তো বিমা কোম্পানীতে বা পেনশন ফান্ডেই রাখবে সরকার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।