কলকাতা: প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। বুধবার গভীর রাতে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সোমেন মিত্রের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রের৷ টুইটে সদ্য প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির প্রয়াণে শোকবার্তা বামনেতার৷

শোকগ্রস্ত রাজ্যের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য তথা সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র তাঁর নিজের টুইটারে লিখেছেন,‘বিধায়ক, সাংসদ,একাধিক বার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক নেতা হিসেবে একটি অপূরনীয় শূন্যতা রেখে চলে গেলেন। যুক্ত সংগ্রামের শক্তিবৃদ্ধি করেই তাঁর শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে হবে। তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা ও পরিবার পরিজনসহ অনুরাগীদের আমাদের সমবেদনা জানাই।’

অসুস্থ অবস্থায় গত কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। বুধবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত রবিবার সেখানে ফোন করে সোমেনবাবুর স্বাস্থ্যের খোঁজও নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমেনবাবুর পরিবার সূত্রে জানানো হয়, আর তাঁর ডায়ালিসিসের কথা ভাবা হচ্ছে না। ইউরিয়া এবং ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নজরে রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি ঠিক থাকলে দু-এক দিনের মধ্যে সোমেনবাবুর পুরনো পেসমেকার বদলানোর কথা বলা হয়েছিল।

ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তারপরেই বেলভিউ নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয় তাঁকে। গত বুধবার তাঁর ডায়ালিসিস করা হয়। শরীরের অতিরিক্ত জল বের করে দেওয়া হয়। প্রায় দেড় লিটারের মত জল বেরিয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। ডায়ালিসিস হওয়ায় শরীরে দুর্বলতা ছিল।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই হার্টের সমস্যায় ভুগছেন সোমেন মিত্র। সাধারণত দিল্লি এইমসে চিকিৎসা করানো হয় তাঁর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।