স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট:  “সব সময় মুখ দিয়ে শুধু অভিযোগের বুলি ছাড়া কিছুই শোনা যায় না। যে কারণে সকলের কাছে তিনি ‘অভিযোগকান্ত’ নামে পরিচিত।” গঙ্গারামপুরে দলীয় প্রার্থীদের প্রচার সভায় সিপিএম সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রকে এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন কৃষিমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের দক্ষিণ দিনাজপুরের পর্যবেক্ষক পূর্ণেন্দু বসু।
গঙ্গারামপুর পুরসভার কালিতলা বাঁধমোড় ও পান বাজার এলাকায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে পূর্ণেন্দু বসু বলেন, “লোকসভা ভোটে সূর্যকান্ত মিশ্রের নিজের এলাকার বুথে সিপিএম গোহারান হেরেছে।” বহুদিনের নেতা বিমান বসুকে সরিয়ে তাঁকেই আবার ওই দলের রাজ্য সম্পাদক করা হয়েছে। “সিপিএমকে নিঃশেষ করতে একা সূর্যকান্ত মিশ্রই যথেষ্ট” বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি এই অভিযোগও করেন , রাজ্যে বিজেপি আর সিপিএম জোট বেঁধেছে। পুর-নির্বাচনে ওই দু’টি দল একে অন্যের পিঠ চাপড়ে বেড়াচ্ছে।
পূর্ণেন্দু বসু গঙ্গারামপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে সংবাদমাধ্যমকেও ছেড়ে কথা বলেননি। সংবাদমাধ্যমকে শকুনের সঙ্গে তুলনা করতেও ছাড়েননি তিনি। তাঁর অভিযোগ সংবাদমাধ্যম একে পর এক কুৎসা রটিয়ে বেড়াচ্ছে তাদের দলের সম্পর্কে। শকুনের দৃষ্টি সবসময় ভাগাড়ের দিকেই থাকে। সেই শকুনের দৃষ্টিতেই ইতিবাচক দিকগুলি না দেখে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে।
গঙ্গারামপুরের নির্বাচনী সভাগুলিতে পূর্ণেন্দু বসু ছাড়াও রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী শংকর চক্রবর্তী এলাকার বিধায়ক সত্যেন রায় এবং তৃনমূল জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।