কোহিমা: ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক৷ তবে পাকিস্তানের মাটিতে নয়৷ এবার লক্ষ্য ছিল নাগা জঙ্গিদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া৷ ঘটনাস্থল মায়ানমার-ভারতের সীমান্তে এনএসসিএন(খাপলাং) গোষ্ঠীর ঘাঁটি৷

কংগ্রেস জামানায় কোনও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়নি: DGMO

প্রভূত ক্ষতি হয়েছে জঙ্গিদের৷ এমনই জানাল সেনা বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ড৷ ভয়াবহ এই জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আগেও মায়ানমারের মাটিতে ঢুকে সেনা অভিযান চালিয়েছিল ভারত৷

কেন হয়েছিল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক? জানালেন দায়িত্বে থাকা অফিসার

সেনা সূত্রে খবর, বুধবার খুব ভোরে এই অভিযান সংঘটিত হয়েছে৷ মায়ানমার সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির তছনছ করে দিয়েছে সেনা৷ ২০১৫ সালে এরকমই এক অভিযানে গুঁড়িয়ে গিয়েছিল নাগা জঙ্গিদের শিবির৷ তখনও সংগঠনের শীর্ষ নেতা ছিলেন এসএস খাপলাং৷ সম্প্রতি খাপলাং প্রয়াত হয়েছেন৷ নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদ আন্দোলনের এই নেতার মৃত্যুর পর সংগঠনের হাল ধরেছে কাংগো খন্যাক৷ তার নেতৃত্বে পরপর কয়েকটি হামলা চালায় এনএসসিএন৷

নাশকতা রুখতে মায়ানমার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ টহল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় আসাম রাইফেলসকে৷ কয়েকটি ক্ষেত্রে ছোট-মাঝারি সংঘর্ষ হয়৷ এরপর বুধবার ভোরে যেন ফিরে এল ২০১৫ সালের ১০ জুনের ঘটনা৷ তার কয়েকদিন আগে মনিপুরের চান্দেল জেলায় নাগা জঙ্গিদের হামলায় মৃত্যু হয় ১৮ জন সেনাকর্মীর৷ তারই বদলা নিতে মায়ানমারের সীমান্ত পার করেছিল ভারতীয় সেনা৷

‘জঙ্গিদমনে পাক ভূখণ্ডে আবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করবে ভারত’

- Advertisement -