গান্ধীনগর: তিনি চর্চা ভালোবাসেন৷ তাঁকে নিয়েও চর্চার অন্ত নেই৷ সেই তিনি হয়ে গেলেন এক ছাত্রের গবেষণার বিষয়বস্তু৷ এখন সেই নিয়ে মিডিয়ায় চলছে জোর চর্চা৷

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর গবেষণা সম্পূর্ণ করলেন সুরাটের এক পিএইচডির ছাত্র৷ ছাত্রের নাম শুনলে আরও একজনের নাম মনে পড়তে বাধ্য৷ ওই ছাত্রের নাম মেহুল চোকসি৷ এই নামের এক কোটিপতি হিরে ব্যবসায়ী ব্যাংক জালিয়াতির দায়ে বর্তমানে দেশ ছাড়া৷

সুরাটের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র মেহুলের রিসার্চের বিষয় ছিল ‘লিডারশিপ আন্ডার গভর্মেন্ট-কেস স্টাডি অফ নরেন্দ্র মোদী’৷ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের উপর স্নাতকোত্তর পাশ করার পর বীর নর্মাদ সাউথ গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডির জন্য ভরতি হন মেহুল৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হয়ে যান তাঁর রিসার্চের বিষয়বস্তু৷ মেহুলের রিসার্চে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী মোদী ও দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদীর নানাদিক উঠে আসে৷

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশে, ২০১০ সালে মোদী যখন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন মেহুল তাঁকে নিয়ে গবেষণা শুরু করেন৷ গবেষণার জন্য সমীক্ষা করেন মেহুল ও ৪৫০ মানুষের ইন্টারভিউ নেন৷ এতে রয়েছেন সরকারি আধিকারিক, কৃষক, ছাত্র, রাজনৈতিক নেতা প্রমুখ৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব নিয়ে তাদের কিছু প্রশ্ন করেন৷ তাদের উত্তরের উপর ভিত্তি করে রিসার্চ পেপার জমা দেন মেহুল৷

রিসার্চে বেশ কিছু নজরকাড়া বিষয় উঠে আসে৷ মেহুলের সমীক্ষায় ৫১ শতাংশ মানুষ ইতিবাচক সাড়া দেন৷ ৩৪.২৫ শতাংশ মানুষ নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেন৷ ৪৫০ জন সমীক্ষাকারীর মধ্যে ২৫ শতাংশ মনে করেন মোদীর ভাষণ চিত্তাকর্ষক৷ ৪৮ শতাংশের মতে, পলিটিক্যাল মার্কেটিংয়ে অনেক এগিয়ে মোদীই৷

যার অধীনে মেহুল গবেষণার কাজ শেষ করেন সেই অধ্যাপক ডঃ নীলেশ যোশীর জানান, এই বিষয়টি নিজে থেকেই খুব ইন্টারেস্টিং৷ কারণ এমন এক ব্যক্তির উপর গবেষণা করা হয়েছে যিনি বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে বহাল আছেন৷ এই গবেষণায় কোনও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনা যাবে না৷