নয়াদিল্লি: অপেক্ষার অবসান! শনিবার সকালেই বহু প্রতিক্ষীত অযোধ্য মামলা রায় ঘোষণা করতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট৷ ৫ প্রধান মামলাকারীকে এজলাসে হাজির থাকার নির্দেশ দিয়ছে আদালাত৷ নজিরবিহীন এই রায়ের আগে নিরাপত্তার খুঁটিনাটি জানতে পুলিশের শীর্ষকর্তাদের তলব করেছেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ।

বহু চর্চিত রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলার রায় আগামিকাল অর্থাৎ শনিবার সকালেই জানা যাবে৷ সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ এই রায় দিতে পারে দেশের সর্বোচ্চ আদালত৷ ২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনে উপর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেবে৷ হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল ২,৭৭ একর বিতর্কিত জমিতে নীলমনি আখড়া, উত্তরপ্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড এবং রামলানা বিরাজমান মধ্যে তিন ভাগে ভাগ করে দেওয়া৷

এদিন অবশ্য দেশের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ উত্তর প্রদেশের মুখ্য সচিব এবং পুলিশের ডিজি সঙ্গে বৈঠক করেন এবং জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ বছরের পর বছর ধরে ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক স্ফুলিঙ্গ ধরা এই ইস্যুটির উপর রায়দান গত ১৬ অক্টোবর থেকে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে, তার আগে ৪০ দিন ধরে দীর্ঘ শুনানি চলেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে৷ যাতে রয়েছেন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি এসএ বোবদে, বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি অশোক ভূষণএবং বিচারপতি এস আব্দুল ৷

শুনানির পরে সুপ্রিম কোর্ট আলোচনার জন্য একটি বিশেষ দল নিয়োগ করেছে তারা কোনপক্ষের “দ্বারা সম্মত একটি “বন্দোবস্ত” এর সংক্ষিপ্তসার প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের কাছে জমা করেছে৷ লখনউ ভিত্তিক ইউপি সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড মত দিয়েছে, তাদের কোনও আপত্তি থাকবে না যদি ওই জমি যার উপর বাবরি মসজিদ অবস্থিত তা কেন্দ্র অধিগ্রহণ করে৷

কোন আপত্তি না থাকায়, বদলে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যে, বন্দোবস্তের কথা বলা হয়েছে সামাজিক সম্প্রীতির জন্য এএসআই-এর মসজিদ খুলে দেওয়া হবে নমাজ পড়ার জন্য৷ পাশাপাশি অযোধ্যার অন্যান্য মসজিদ সারিয়ে দেবে কেন্দ্র এবং সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের একটি বিকল্প মসজিদ দেওয়া হবে৷ ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে অযোধ্যায় আইন শৃঙ্খলা ঠিক রাখার জন্য৷ পাশাপাশি অযোধ্যা জেলা প্রশাসন জনগণকে পরামর্শ দিয়েছে সতর্ক থাকতে এবং কোনও রকম পোস্ট সোশাল মিডিয়ায় না-দিতে, যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়৷