নয়াদিল্লি: সাইরাস মিস্ত্রির সঙ্গে টাটা গোষ্ঠীর সংঘাতের বড় জয় পেল টাটারা। সাইরাসকে সরানোর ব্যাপারে টাটা গোষ্ঠীর অনুকুলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট । এই আদালত শুক্রবার জানিয়ে দিয়েছে,২০১৬ সালে সাইরাস মিস্ত্রিকে সরানোর সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। এই ব্যাপারে টাটা গোষ্ঠীর কোনরকম আইন ভাঙ্গেনি। এদিকে এমন রায় পাওয়ার পর টাটা গোষ্ঠীর কর্তা রতন টাটা ট্যুইট করে জানিয়েছেন, এমন রায় দেওয়ার জন্য মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে তিনি কৃতজ্ঞ। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে বলা হয়েছে, টাটা গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। আইনের সব দিক খেয়াল রেখেই সংস্থা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে রতন টাটা সরে যাওয়ায় সাইরাস মিস্ত্রিকে এই শিল্পগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান পদে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু বছর চারেক যেতে না যেতেই হঠাৎ ওই পদ থেকে সাইরাসকে সরিয়ে দেয় টাটা গোষ্ঠী। তাকে ওই পদ থেকে এভাবে সরানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জাতীয় কোম্পানি আইন অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে যান সাইরাস মিস্ত্রি। এরপর ২০১৯ সালে ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাইবুনাল জানিয়েছিল , সাইরাস মিস্ত্রিকে নিয়ম মেনে ওই পদ থেকে সরানো হয়নি। তখন টাটা গোষ্ঠী ট্রাইব্যুনালে সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায়। সেখানে শাপুরজি পালনজির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, কর্পোরেট আইনকে হত্যা করে টাটা গোষ্ঠী আইনের মধ্যে থেকে মিস্ত্রিকে পদ থেকে সরানো হয়েছে। এবার অবশ্য আদালত টাটাদের পক্ষে রায় দিল। ফলে গত কয়েক বছর ধরে টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গে সাইরাস মিস্ত্রির বিবাদ ঘিরে এই রায়ে খুশি টাটা গোষ্ঠী।

এদিকে এই রায় প্রসঙ্গে রতন টাটার টুইট করে লিখেছেন, বিষয়টা হার-জিতের প্রশ্ন নয়। কিন্তু তাদের গোষ্ঠীর প্রতি ক্রমাগত আক্রমণ শানানো হচ্ছিল। এই শিল্পগোষ্ঠীর নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছিল। কিন্তু অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের রায় এটাই প্রমান করে দিল, মূল্যবোধের দ্বারাই পরিচালিত হয় এই গোষ্ঠী। বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ফের এর দ্বারাই প্রমাণিত হল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.