নয়াদিল্লিঃ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে লণ্ডভণ্ড গোটা দেশ। দিনে দিনে রেকর্ড হারে মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। থেমে নেই মৃতের সংখ্যাও। এমন সংকটজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাধ সেধেছে দেশের বেহাল চিকিৎসা ব্যবস্থা। হাসপাতালে শয্যার অভাব, সাথে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের আকাল। যা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে মোদী সরকারকে। এমন পরিস্থিতিতে এবার কেন্দ্রীয় সরকারকে মারণ ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

জানা যাচ্ছে, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী করোনার তৃতীয় তরঙ্গের মোকাবিলার জন্য এখন থেকে প্রস্তুত নেওয়া বাঞ্চনীয়। এছাড়াও বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড় এবং এমআর শাহের যৌথ বেঞ্চ দেশের ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতির উপর নজর রেখে প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী অল্পবয়সীদেরও টিকাকরণের আওতায় আনার উপর জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতানুযায়ী, ‘করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা প্রভাব ফেলবে অল্পবয়সীদের উপর। সুতরাং যখন অল্পবয়সীরা হাসপাতালে যাবে, তখন সাথে যাবে মা ও বাবারা। যা থেকে তৃতীয় ঢেউয়ে তৈরি হতে পারে আরও ভয়ানক পরিস্থিতির। তাই যতদ্রুত সম্ভব অল্পবয়সীদের উপর টিকাকরণ অভিযান সেরে ফেলতে হবে’। আদালতের তরফে এই সম্ভাবনাময় পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বলা হয়েছে, ‘আমাদের এটির জন্য বৈজ্ঞানিক উপায়ে পরিকল্পনা করে ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা উচিত’। পাশাপাশি এও বলা হয়, ‘আমরা যদি আজ এটির জন্য প্রস্তুত থাকি, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হব’।

সুপ্রিম কোর্ট এদিন দেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য কর্মীদের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছে। এমবিবিএস সম্পন্ন করা এবং পিজি কোর্স ভর্তির অপেক্ষা করা চিকিৎসকদের কেও করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে নামানোর পরামর্শ দিয়েছে। বিচারপতি চন্দ্রচুড় আরও জানালেন, “আজ আমাদের দেড় লাখ চিকিৎসক রয়েছেন যারা মেডিকেল কোর্স শেষ করেছেন কিন্তু এনইইটি পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছেন। সেই দেড় লক্ষ ডাক্তার এবং আড়াই লাখ নার্স যারা ঘরে বসে আছেন। তারা করোনার তৃতীয় তরঙ্গ মোকাবেলায় অত্যন্ত জরুরি’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.