নয়াদিল্লি: স্পেক্ট্রাম ও লাইসেন্স ফি (এজিআর) বাবদ বকেয়া টেলিকম সংস্থার কাছ থেকে কেন্দ্রের চাইবার অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু তার মানে এই নয় স্পেকট্রম ব্যবহার করার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির কাছ থেকেও বকেয়া পাওনা বলে নোটিশ পাঠাবে‌‌ টেলিকম দপ্তর। এরই প্রেক্ষিতে ওইসব সংস্থাগুলি আদালতে আবেদন জানালে ক্ষুব্ধ হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। টেলিকম দপ্তরের এমন দাবি প্রত্যাহার করার কথা বলা হয়েছে এবং তা না করা হলে আদালত ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে।

গেইল, অয়েল ইন্ডিয়া ,পাওয়ার গ্রিড, দিল্লি মেট্রো সহ বেশ কিছু সংস্থার কাছে টেলিকম দপ্তর এজিআর বাবদ বকেয়া ৪ লক্ষ কোটি টাকা দাবি করেছিল। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরুণ মিশ্র, বিচারপতি এস আব্দুল নাজির এবং বিচারপতি এম আর শাহের বেঞ্চ জানিয়েছে, এইসব রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির কাছ থেকে এজিআর সংক্রান্ত রায়ের ভিত্তিতে বকেয়া চাওয়া অনুমোদনযোগ্য নয়। টেলিকম দপ্তরের আইনজীবী‌ তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা অবশ্য জানিয়েছেন, কিসের ভিত্তিতে তারা এই আবেদন করেছেন সে বিষয়ে পরবর্তী শুনানিতে হলফনামা পেশ করা হবে।

একইসঙ্গে আদালত প্রশ্ন তুলেছে কেন টেলিকম সংস্থাগুলিকে দফায় দফায় বকেয়া মেটাতে ২০ বছর সময় দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। ‌‌ উল্টে এবার ওইসব টেলিকম সংস্থাকে হলফনামা পেশ করে কত দিনের মধ্যে তা মেটাবে তা জানাতে বলা হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৮ জুন।

এদিকে টেলিকম সংস্থাকে বাড়তি সময় দেওয়া নিয়ে আদালতের প্রশ্ন, এত দীর্ঘ সময় দেওয়ার কারণ কি? এ বিষয়ে সলিসিটর জেনারেল যুক্তি দেখান, একবারে এত বকেয়া মেটাতে গেলে সংস্থাগুলির আর্থিক অবস্থার উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এদিকে এয়ারটেল আদালতকে জানিয়েছেন, কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বললে বাকি টাকা মিটিয়ে দেবে। আবার ভোডাফোন আইডিয়া জানিয়েছে, তাদের তো কর্মীদের বেতন দেওয়ার মতই হাতে টাকা নেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।