স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: যশোর রোডে গাছ কাটার বিরুদ্ধেই রায় দিল দেশের শীর্ষ আদালত। অনির্দিষ্ট কালের জন্য গাছ কাটা বন্ধ রাখতে বলল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম .বি .লকুড় ও বিচারপতি দীপক গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যশোর রোড গাছ বাঁচাও আন্দোলনকারী সংগঠনের তরফ থেকে এই মামলা করা হয়েছিল। মামলাটি লড়ছেন শামিম আহমেদ ও বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।

যশোর রোড গাছ বাঁচাও কমিটির সদস্য অনির্বান দাস জানালেন,সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আমরা খুশি৷ আমাদের মূল লড়াই হলো কর্পোরেট পুঁজির আগ্রাসন এর ফলে যে বিপুল পরিমাণ পরিবেশ ধ্বংস হতে পারে তার বিরুদ্ধে। কোর্টের এই ফল আমাদের সাময়িক রিলিফ দিলেও আমাদের মূল লড়াই মাটিতে নেমেই চলবে। মাটিতে আমরা জয় ছিনিয়ে নেব৷

আরও পড়ুন: বাগরি কাণ্ডে নিয়োগ করা হবে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার : পার্থ চট্টোপাধ্যায়

কলকাতা হাইকোর্ট চলতি বছরের ৩১ অগস্ট যশোর রোডে গাছ কাটার অনুমতি দেয়৷ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জ্যোর্তিময় ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেন৷ হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকার যশোর রোডের গাছ কাটতে পারবে। তবে যতগুলি গাছ কাটা হবে, তার পাঁচ গুণ বেশি গাছ বসাতে হবে রাজ্য সরকারকে।

উল্লেখ্য,৩৫ নম্বর জাতীয় সড়কে বারাসাত থেকে বনগাঁর মধ্যে রাজ্য সরকার পাঁচটি রেল ওভারব্রিজ তৈরি করতে চায়৷ ওই কাজ করতে গেলে ৩৫৬টি গাছ কাটার প্রয়োজন৷ কিন্তু যশোর রোডের ধারে থাকা ওই গাছগুলি কাটতে দিতে নারাজ স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে একাধিক মানবাধিকার সংগঠন৷ কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ওই কমিটি। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল।

আরও পড়ুন: পুরনো বারান্দায় অলস সময় ধরা পড়বে কাশীবোস লেনে