কলকাতা ও নয়াদিল্লি: অস্বস্তি বাড়ল রাজ্য সরকারের। ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Polll Vilolence) নিয়ে এবার রাজ্য সরকারকে নোটিশ (Notice) পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) । ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত ঘটনাগুলির তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন নিয়ে যে দাবি করা হয়েছিল নিহতদের পরিবারের তরফে, তা নিয়ে রাজ্যের কী ভাবনা? তা জানতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে (West Bengal Govt) নোটিশ পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। এ নিয়ে রাজ্যকে হলফনামা দিয়ে নিজেদের মতামত জানাতে হবে সুপ্রিম কোর্টে। তার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে সর্বোচ্চ আদালত।

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফল বেরনোর পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি (Violence) বেড়েই চলেছে। একাধিক এলাকায় শাসকদল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠছে। বেশ কয়েকটি এলাকায় আবার তৃণমূলের উপরেও আক্রমণের অভিযোগ সামনে এসেছে। গত কয়েক সপ্তাহে রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার কবলে পড়ে মৃত্যুও হয়েছে বেশ কয়েকজনের। যা নিয়ে প্রায় প্রতিদিন রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুলছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar) । সম্প্রতি জেলা সফল শুরু করেছেন ধনকড়। রাজনৈতিক হিংসার খবর পেলেই সেখানে ছুটে যাচ্ছেন রাজ্যপাল (Governor) । কথা বলছেন আক্রান্তদের সঙ্গে। তবে রাজ্যপালের এই আচরণকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে শাসকদল।

তবে এবার দেশের শীর্ষ আদালতের তরফেই বাংলায় রাজনৈতিক হিংসা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে। যা অস্বস্তি বাড়িয়েছে রাজ্য সরকারের। রাজ্যে বিধানসভা ভোটের পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় চলা হিংসা নিয়ে এবার রাজ্য সরকারকে নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। ভোটের পরে হিংসা সংক্রান্ত একাধিক ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠনের দাবি উঠেছে, নিহতদের পরিবারের সেই দাবি নিয়ে রাজ্য সরকারের কী পরিকল্পনা রয়েছে? তা জানতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নোটিশ পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

রাজ্য সরকারকে হলফনামা দিয়ে এব্যাপারে নিজেদের মতামত জানাতে হবে সুপ্রিম কোর্টে। রাজ্যের হলফনামার ভিত্তিতেই এবিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে সর্বোচ্চ আদালত। বিধানসভা ভোটের পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক হিংসা চলছে। বিজেপির অভিযোগ শাসকদলের মদতে তাদের কর্মী-সমর্থকদের উপরে হামলা চলছে। পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলছে গেরুয়া শিবির। যদিও বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.