নয়াদিল্লি: অযোধ্যা মামলায় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের দাবি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। অগাষ্টের ৬ তারিখে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। বহু জটিলতা কাটিয়ে আইনি কাজ শুরু হলেও শুক্রবারই অযোধ্যা মামলায় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের দাবি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট।

রাম-জন্মস্থানের বিতর্কিত মামালায় হাজিরা দিতে রোজরোজ আদালতে যাওয়া সম্ভব নয়, সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছিল সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড। রামের জন্মস্থানে বাবরি মসজিদ মামলার আইনি কাজ এই পদ্ধতিতে হওয়া উচিত নয়।

সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের তরফের আইনজীবি রাজীব ধবন বলেন, “শুনানির জন্য সপ্তাহের প্রতিদিন কোর্টে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়। এটা প্রথম পরযায়ের শুনানি। এইভাবে এই কাজ চলতে পারে না। আমি খুব কঠিন পরিস্থিতিতে পরে যাচ্ছি।”

চলতি শুনানির চতুর্থ দিনে, ধবন বলেন, আদালতে প্রতিদিনের বিতর্কের জন্য ডেলি কিছু কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ থেকে যায়। সপ্তাহে পাঁচদিন শুনানির ধাঁচে যে কাজ একদমই সম্ভব নয়।

মধ্যস্থতাকারী দিয়ে কোনও লাভ না হওয়ায় দীর্ঘদিনের বিতর্কিত এই মামলায় পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রত্যেকদিন শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। ৬ অগস্ট থেকে রামজন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলার প্রাত্যহিক শুনানি শুরু হয়েছে। এদিন জানানো হয়েছে এই মামলায় তিন সদস্যের যে প্যানেল তৈরি করা হয়েছিল, তা ব্যর্থ।

প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ জানিয়েছেন, প্রত্যেকদিন চলবে এই মামলার শুনানি। গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন এই বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি এসএ বোবদে, ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ ও এস আব্দুল নাজির। ১৭ নভেম্বর এই মামলায় শীর্ষ আদালত একতি সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

এই মামলার সব অংশীদারদে প্রমাণ সহ তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। শুনানির আগেই যাতে সব তৈরি থাকে, তার জন্য প্রমাণের একটা কপিও আগে থেকে দিতে বলা হয়েছে।

গত ৮ মার্চ অযোধ্যা মামলার শুনানির জন্য তুন সদস্যের একটি প্যানেল তৈরি করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার মুখ বন্ধ খামে সেই রিপোর্ট জমা দেয় এই তিন সদস্যের প্যানেল। এই প্যানেলে ছিলেন, প্রাক্তন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কালিফুল্লা, শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর ও শ্রীরাম পঞ্চু।