জয়পুর: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ উদ্বেগ বাড়িয়েছে অতি মাত্রায়। গোটা দেশে হুহু করে বাড়ছে কোভিড সংক্রমিতের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছে ৩,৬৮,১৪৭, যেখানে ১ দিনে মৃত ৩,৪১৭ জন। সব মিলিয়ে বর্তমানে ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৯৯,২৫,৬০৪ ঘরে।

এই অতি মাত্রায় করোনা সংক্রমণের ফলে দেশের বেশকিছু রাজ্য নতুন করে লকডাউন এবং কার্ফু চালু করেছে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে। এর পাশাপাশি বন্ধ করা হয়েছে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিও। একাধিক রাজ্যে এই স্কুল বন্ধ করার কারণ হিসেবে সরকার ব্যাখ্যা করেছেন গরমের ছুটিকে। অন্যদিকে দিল্লি সরকার গরমের ছুটির কারণে রাজ্যের সরকারি সঙ্গে বেসরকারি স্কুলেরও অনলাইন ক্লাসও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। তবে দিল্লি ছাড়া বিভিন্ন রাজ্যের স্কুলগুলিতে চলছে অনলাইন পঠন-পাঠন পরিষেবা। পাশাপাশি অনলাইনে পড়াশোনা চলার কারণে মহামারীর সময়েও দিচ্ছে হচ্ছে পুরো বেতন। আর মহামারীর সময়ে বেতন কাঠামো ঠিক করার জন্য নড়ে বসে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

সোমবার সুপ্রিম কোর্ট রাজস্থানের প্রায় ৩৬,০০০ বেসরকারি স্কুলগুলোকে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক বেতন ১৫ শতাংশ কম করার নির্দেশ দিয়েছে। দেশে কোভিড মহামারীর সময়ে বেতন বাকি থাকলেও পড়ুয়াদের অনলাইন ক্লাস করতে দিতে হবে এবং পরীক্ষার ফলাফল আটকানো যাবেনা বলেও জানিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।

শীর্ষ আদালত রাজস্থান স্কুল (রেগুলেশন অব ফি) আইন, ২০১৬ এবং সরকার-বাধ্যতামূলক পদ্ধতি দ্বারা স্কুল ফি নির্ধারণের আইনের অধীনে থাকা বিধিগুলির চ্যালেঞ্জ প্রত্যাখ্যান করে রাজস্থান হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে।

বিচারপতি এ এম খানউইলকার এবং বিচারপতি দীনেশ মহেশ্বরীর বেঞ্চ তাদের দেওয়া ১২৮ পৃষ্ঠার রায়ে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের জন্য ছাত্র বা অভিভাবক ছটি সমান কিস্তিতে দিতে পারবে বেতন এই পরিস্থিতিতে।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এ এম খানউইলকার রায়ের সময় উল্লেখ করে জানিয়েছেন, দেশে মহামারীর কারণে লকডাউনে এক কঠিন পরিস্থিতির সামনে এসে দাঁড়িয়েছে সকলে। লকডাউনের ফলে প্রভাব পড়েছিল অর্থনীতি এবং সকলের ক্রয় ক্ষমতা সহ সামগ্রিকভাবে ব্যক্তি, উদ্যোক্তা, শিল্প এবং জাতির ওপরে। এই সময়ে একটা বিরাট অংশের মানুষ জীবিকা হারিয়েছে। অনেকে তাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো না যোগার করতে পারলেও বাচ্চাদের স্কুলগুলি চালিয়ে গেছে বলেনও জানান বিচারপতি।

এর পাশাপাশি আরও উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ২০১৬ আইন অনুযায়ী সমস্ত স্কুল ছাত্রদের থেকে বেতন নিতে পারে, তবে সেই ক্ষেত্রে মহামারীর কারণে ১৫ শতাংশ ছাড় দিতে হবে প্রতিটা স্কুলের তরফে। সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অনুযায়ী ২০২১ সালের ৫ আগস্টের আগে এই বেসরকারি স্কুলের বেতন দেওয়া যাবে। আগামী দিনে পড়ুয়াদের সুবিধার জন্য আরও বেশকিছু ছাড় দিতে পারে স্কুলগুলি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.