মুম্বই: একের বোধ হয় বলে রাখে ‘হরি মারে কে’। গানের কথা বদল থেকে ডিস্ট্রিবিউশন-প্রতিকূলতার নাগপাশে বন্দি ছিল ‘ফান্নে খান’। কিন্তু শেষে জয়ের হাসি হাসলেন অনিল, ঐশ্বর্য, রাজকুমার। ছবি মুক্তির উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারির আশঙ্কা ছিল, তা মিলিয়ে গেল জয়ের আলোতে। ছবির ডিস্ট্রিবিউশনের ওপর শুধু প্রযোজক বাসু ভাগনানি একচ্ছত্র অধিকার। রিলিজের ঠিক আগে শীর্ষ আদালতের এমনই সিদ্ধান্তে মুক্ত হল পরিচালক অতুল মাঞ্জরেকরের ছবি ‘ফান্না খান’।

ছবি ডিস্ট্রিবিউশন নিয়ে পুজা এন্টারটেনমেন্ট অ্যান্ড ফিল্মের সঙ্গে ঝামেলা শুরু হয় প্রযোজক বাসু ভাগনানি। শুরুতে ছবিটির অন্যতম প্রযোজক ছিলেন পুজা এন্টারটেনমেন্ট ও প্রেরণা অরোরার ক্রিয়ার্জ এন্টারটেনমেন্ট। তাঁদের দাবি ‘ফান্নে খান’-এর ডিস্ট্রিবিউশনের দায়িত্ব তাঁদের। এই অনুসারে সাড়ে আটকোটি টাকা তারা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ‘ভোগ’ কভার গার্ল শাহরুখ-কন্যা

ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

এদিকে বাসু ভাগনানি কথাঅনুসারে, ক্রিয়ার্জে ও পুজার সঙ্গে তিনি ১০ কোটি টাকার মাল্টি-প্রজেক্ট ডিস্ট্রিবিউশন ডিল করেছিলেন। কিন্তু মাঝপথেই ছবি ছেড়ে বেরিয়ে যায় ক্রিয়ার্জ। এরপর প্রযোজনার দায়িত্বে আসেন অনিল কাপুর নিজে। সঙ্গে রয়েছে ভূষণ কুমার, রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার মতো নামও।

ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

এরপর ছবির মুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন ক্রিয়াজ ও পুজা। প্রথমে বম্বে হাই কোর্ট, পরে দিল্লি হাই কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন বলিউডের প্রযোজকদ্বয়। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। ছবির বিষয়ে নাক গলাতে নিষেধ করে দেন দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ভাসু। কিন্তু বুধবার সেখানেও আশাহত হতে হয় তাকে। নামঞ্জুর হয়ে যায় তাঁর আবেদন। ফলে ছবির মুক্তিতে আর কোনও বাধাই রইল না।

ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

প্রসঙ্গত, প্রায় ১৮ বছর পর আবারও এক ছবিতে কাজ করতে চলেছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং অনিল কাপুর৷ ‘হম আপকে দিল মে রেহতে হ্যাঁয়’ পর স্ক্রিন স্পেস শেয়ার করছেন এই অভিনেতা-অভিনেত্রী৷ তবে এবারে কেউ কারও বিপরীতে নয়৷ সম্পূর্ণ অন্য ধাঁচের ছবিতে একে অপরের সঙ্গে অভিনয় করছেন, ‘ফান্নে খান’ ছবিতে৷ ছবির পরিচালক অতুল মঞ্জরেকর।

আরও পড়ুন:  কনের সাজে শ্রাবন্তী, আবার বসতে চলেছেন বিয়ের পিঁড়িতে!

দীর্ঘ দু’বছর পর এই ছবির হাত ধরে ফের বলিউডে নিজের জলওয়া দেখাতে চলেছেন ঐশ্বর্যা৷ ২০১৬ সালে ‘এ দিল হ্যায় মুশকিল’ বক্স অফিসে তেমন সাফল্যের মুখ দেখতে পায়নি৷ এমনকি সমালোচকরাও ছবিটিকে তেমন ভাল রিভিউ দেননি৷ ফ্লপ করে যায় করণ জোহারের এই প্রজেক্ট৷ ‘ফ্যানি খান’র হাত ধরে সাফল্যের আশা নিয়েই এগোচ্ছেন নায়িকা৷ এই ছবিটি নিয়ে আগে বহু বিতর্ক হয়েছে৷ কখনও সিনেমার তারকার অসুস্থ হয়ে পড়া, তো কখনও অভিনেতা অভিনেত্রীদের টাইমিং ম্যাচ না করা।

ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

বিভিন্ন সমস্যা কাটিয়ে ছবির শ্যুটিং শুরু হলেও ঐশ্বর্যার সমস্যা তৈরি হয় একটি গানের লিরিকস নিয়ে৷ ‘মহব্বত’ গানটি মুক্তি পাওয়ার পর সকলে অনুমান করছেন সম্ভবত এটাই সেই গান৷ গানটির কয়েকটি লাইন তাঁর একেবারেই পছন্দ হয়নি৷ সেগুলিকে বদলে ফেলার কথা বলেছিলেন নির্মাতাদের৷ প্রথমদিকে বেঁকে বসলেও পরে রাজি হয়ে গিয়েছিলেন সঙ্গীত পরিচালক৷ ছবিতে অভিনেত্রীর নাচের দৃশ্য রয়েছে৷ সেগুলি শ্যুট করানো হয়েছে এক জনপ্রিয় ইন্টারন্যাশনাল কোরিওগ্রাফারের তত্ত্বাবধানে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.