নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: এক দিনের জন্য বাঁকুড়ায় প্রবেশের করতে পারবেন সৌমিত্র খাঁ৷ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট৷ মনোনয়ন জমার জন্য এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁকে৷

আরও পড়ুন: ‘ভোট না দিলে..’, সংখ্যালঘু ভোটারদের চমকানোর অভিযোগ মানেকার বিরুদ্ধে

প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত সৌমিত্র খাঁ৷ বিষ্ণুপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর উপর বাঁকুড়ায় প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা জারি করে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই আদেশের বিরুদ্ধেই শীর্ষ আদালতে আবেদন করেন তিনি৷ সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট৷ তবে, বলা হয়েছে অন্যান্য অনুমতির জন্য বিজেপি প্রার্থীকে হাইকোর্টেই আর্জি জানাতে হবে৷

তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ৷ পরে তাঁকে ওই কেন্দ্রেই প্রার্থী করে পদ্ম শিবির৷ বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে তাঁর এবছরের প্রথম দিকে প্রতারণার অভিযোগ জানায় তাঁর পিসতুতো ভাই প্রশান্ত মণ্ডল৷ এসএসসির মাধ্যেমে শিক্ষকতার চাকরি দেওয়ার দেওয়ার নাম করে দাদা সৌমিত্র তার কাছ থেকে টাকা নেন বলে অভিযোগ৷ কিন্তু প্রায় বছর দুই পেরিয়ে গেলেও আশ্বাস পূর্ণ না হওয়ায় সাংসদ দাদার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর ভাই৷

তারপরই আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সৌমিত্র খাঁ। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, সৌমিত্র খাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। একই সঙ্গে ওই দির্দেশে ছিল সৌমিত্র খাঁ-ও বাঁকুড়ায় ঢুকতে পারবেন না। এরপর বাঁকুড়ায় প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট। আরও তিন সপ্তাহ বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী বাঁকুড়ায় ঢুকতে পারবেন না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়৷ ফলে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে গিয়েও প্রচার করতে পারচ্ছেন না সৈমিত্র খাঁ৷

আরও পড়ুন: রাজনৈতিক দলকে ইলেক্টরাল বন্ড-এর তথ্য কমিশনকে জানাতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

হাইকোর্টের সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্ট জানায় কেবল মনোনয়ন জমা করতেই একদিন বিষ্ণুপুরে প্রবেশ করতে পারবেন বিজেপি প্রার্থী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।