মস্কো: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তাঁর দেশের বিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনিকে গ্রেফতার করায়, প্রতিবাদে নানা প্রান্তে বিক্ষোভ দেখা যায়। আর এই সব বিক্ষোভের আয়োজকদের সমালোচনায় মুখর হলেন পুতিন। গত শনিবার রাজধানী মস্কোসহ রাশিয়ার বেশ কয়েকটি জায়গায় একযোগে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

পুতিন সোমবার তাঁর দফতর থেকে অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় এমন অভিযোগ করেছেন। এই বিক্ষোভ আয়োজনকে ‘বেআইনি’ উল্লেখ করে তিনি মন্তব্য করেন, আয়োজকরা ‘এমন উগ্র বিক্ষোভকারী’ যে তারা নারী ও শিশুদেরকে সামনে এগিয়ে দিয়েছিল।

রুশ প্রেসিডেন্টের বক্তব্য, আইনের আওতায় কথা বলার অধিকার সকলের আছে। কিন্তু ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে’ যে ভাবে আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে তা শুধুমাত্র ‘অগঠনমূলকই’ নয় তা ‘বিপজ্জনকও’ বটে।

প্রসঙ্গত, রাশিয়ার বিরোধী নেতা নাভালনিকে গত সপ্তাহে জার্মানি থেকে মস্কোয় ফেরেন। তখন তাকে একেবারে বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়। তাঁর মুক্তির দাবি উঠেছে এবং সেই দাবি নিয়ে শনিবারের বিক্ষোভ হয়েছে সারা দেশে। রুশ সংবাদ সংস্থা তাস জানিয়েছে , মস্কোর পুশকিন স্কোয়ারে শনিবার অন্তত ১৫ হাজার বিক্ষোভকারী প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিক্ষোভকারীদের। এর পরেই জারি হয় সতর্কতা।বিবিসি জানিয়েছে, শীতের কারণে বহু শহরে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। এই কনকনে শীতের মাঝেই নাভালনির মুক্তি দাবিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়াকেও আটক করা হয়েছে।বিবিসি আরও জানিয়েছে, নাভালনি দেশে দুর্নীতি বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছেন। তাই তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।