শ্রীনগর : কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদে একটা ট্রেন্ড লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেনা সূত্রে খবর চলতি বছরে যতবার হামলা হয়েছে জঙ্গিদের, প্রত্যেক বারই দেখা গিয়েছে হয় ব্যর্থ হয়েছে, নয়তো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কম হয়েছে। সেনা বলছে জঙ্গিদের হামলা ধরণে স্পষ্ট চাপ রয়েছে অপরিকল্পিত পদ্ধতির। যেটা আগে ছিল না।

সূত্রের খবর কাশ্মীরিদের একাংশ যেভাবে জঙ্গিদের সাহায্য করত, সেই সাহায্য এখন আর পাচ্ছে না জঙ্গি সংগঠনগুলি। যা বেশ আশার আলো জাগাচ্ছে। কাশ্মীরিরা শান্তি চাইছেন। কোনও সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দিতে চাইছেন না তাঁরা। এমনই জানাচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল বি এস রাজু। তাঁর মতে, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের জনপ্রিয়তার ভিত্তিও কমে এসেছে। ফলে হালে পানি পাচ্ছে না জঙ্গিরা।

বি এস রাজুর মতে মানুষ পথ খুঁজছেন। সমাধান চাইছেন ও শান্তির রাস্তায় হাঁটতে চাইছেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জঙ্গিদের মধ্যে সমন্বয়ও কমে এসেছে অনেকটাই। ভারতীয় সেনার হাত ধরে নতুন বাঁচার রাস্তা খুঁজছে কাশ্মীর। ২০১৮ বা ২০১৯ সালের তুলনায় জঙ্গি কার্যকলাপ অনেকটাই কম হয়েছে ২০২০ সালে। কাশ্মীরিদের সাহায্য না পেয়ে আত্মগোপন করতে বাধ্য হয়েছে জঙ্গিরা।

উচ্চপদস্থ এই সেনা অফিসার জানাচ্ছেন জঙ্গি দলে কাশ্মীরি যুবকদের যোগদান করার প্রবণতাও অনেক কমেছে। জম্মু কাশ্মীর পুলিশের প্রধান দিলবাদ সিং জানান ২০১৮ সালে ২১৮ জন যুবক জঙ্গি দলে নাম লেখায়। ২০১৯ সালে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১৩৯য়ে। ২০২০ সালে এখনও পর্যন্ত ৩৫ জন যুবক নিখোঁজ হয়েছে। পুলিশের সন্দেহ তাঁরা প্রত্যেকেই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

এদিকে রবিবার সকালেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কাশ্মীর। জঙ্গিদের সঙ্গে এনকাউন্টার শুরু হয় ভারতীয় সেনা বাহিনীর। সোপিয়ানের রেবান এলাকায় এই এনকাউন্টার শুরুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করে সেনা। জানা যায় কমপক্ষে ২ থেকে ৩ জন জঙ্গি ওই এলাকায় আত্মগোপন করে রয়েছে। সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের ১৭৮ ব্যাটেলিয়ন, রাষ্ট্রীয় রাইফেলস ও স্পেশাল অপারেশন টিম একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল। এই সময়ই জঙ্গি ও বাহিনীর মধ্যে এনকাউন্টার শুরু হয়ে যায়।

শুক্রবারও কাশ্মীরের রাজৌরির কালাকোটে বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে নিকেশ ১ জঙ্গি। খবর মোতাবেক, বৃহস্পতিবার রাতে এই এনকাউন্টারে ওই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.