পানাজি: গত দু’ম্যাচে জয়হীন। শীর্ষস্থানে থাকা মুম্বই সিটি এফসি’র সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমাতে চেন্নাইয়িন এফসি’র বিরুদ্ধে ম্যাচটা এদিন গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেরিনার্সদের জন্য। কিন্তু দক্ষিণের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলটির বিরুদ্ধেও নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকায় ফের পয়েন্ট হারানোর আশঙ্কা গ্রাস করেছিল এটিকে-মোহনবাগান শিবিরে। তবে সংযুক্তি সময়ের প্রথম মিনিটে হাবাসের দলকে জয়ের সরণিতে ফেরালেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৯০+১ মিনিটে কর্নার থেকে করা অজি স্ট্রাইকারের গোলেই চেন্নাইয়িন এফসি’কে হারাল এটিকে-মোহনবাগান।

জোড়া পরিবর্তন এনে এদিন ম্যাচে নেমেছিল দু’দলই। ডেভিড উইলিয়ামস এবং প্রবীর দাসের পরিবর্তে জেভিয়ার হার্নান্দেজ এবং মনবীর সিংকে প্রথম একাদশে এনেছিলেন সবুজ-মেরুন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। বিক্ষিপ্ত কিছু সুযোগ তৈরি হলেও প্রথমার্ধে দু’দলের শক্তিশালী রক্ষণ মাথা নোয়ায়নি বিপক্ষ আক্রমণের সামনে। বল নিজেদের দখলে বেশি রেখে প্রথমার্ধে তুলনায় কিছুটা ভালো ফুটবল উপহার দেয় সবুজ-মেরুন। দূরপাল্লার শটে একটি ক্ষেত্রে বিপক্ষ গোলরক্ষকের পরীক্ষা নেন সবুজ-মেরুন ডিফেন্ডার তিরি। কিন্তু দুরন্ত সেভে দুর্গ অক্ষত রাখেন বিশাল কাইথ। একটি ক্ষেত্রে ইসমার বাড়ানো থ্রু ধরে গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন চেন্নাইয়িনের রহিম আলি। কিন্তু নিশানায় অব্যর্থ থাকতে পারেননি বঙ্গ স্ট্রাইকার।

দ্বিতীয়ার্ধেও লড়াই হয় মোটামুটি তুল্যমূল্যই। ৭৫ মিনিটে জাভি হার্নান্দেজের ফ্রি-কিক ফের দুরন্ত ক্ষিপ্রতার সঙ্গে রক্ষা করে দুর্গ অক্ষত রাখেন কাইথ। পালটা ৮৫ মিনিটে লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে’র কর্নার থেকে প্রায় লিড তুলে নিয়েছিল চেন্নাইয়িন। কিন্তু অরিন্দমের দস্তানায় এক্ষেত্রে রক্ষা পায় সবুজ-মেরুন রক্ষণ। ম্যাচ যখন ফের ড্র’য়ের দিকে এগোচ্ছে, ঠিক তখনই কিস্তিমাত করে যান পরিবর্ত উইলিয়ামস। সংযুক্তি সময়ের প্রথম মিনিটে জাভি হার্নান্দেজের ইনস্যুইং কর্নার থেকে ডেভিড উইলিয়ামসের ড্রপ হেডার চেন্নাইয়িনের জালে জড়াতেই তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে ফেলে বাগান।

তবে সংযুক্তি সময়ের চতুর্থ মিনিটে বাগান রক্ষণে বিপদের সঞ্চার ঘটে। কিন্তু লং বল থেকে সিপোভিচের হেড অরিন্দমকে পরাস্ত করে গোলমুখে ঢোকার ঠিক আগে গোললাইন সেভ করে জয় পাকা করেন তিরি। এই জয়ের ফলে ১২ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মুম্বই’য়ের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়ে আনল হাবাসের দল। ১১ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মুম্বই শুক্রবার মুখোমুখি এসসি ইস্টবেঙ্গলের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।