চেন্নাই: বুধবার আইপিএলের ডাবল-হেডারের প্রথম ম্যাচে চেন্নাই’য়ে পঞ্জাব কিংসের মুখোমুখি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রথম তিন ম্যাচে পরাজিত ডেভিড ওয়ার্নারের দল টুর্নামেন্টে তাদের প্রথম জয়ের খোঁজে। পক্ষান্তরে পঞ্জাব কিংসের অবস্থাও যে খুব একটা ভালো, তা একেবারেই নয়। প্রথম ম্যাচ জিতলেও পরের দু’টি ম্যাচ হেরে লিগ টেবিলে আপাতত কোণঠাসা কেএল রাহুল নেতৃত্বাধীন দল। দ্বিতীয় জয়ের খোঁজে চেন্নাই’য়ে টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিং’য়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে পঞ্জাব কিংস।

এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে সানরাইজার্সের জার্সিতে চলতি মরশুমে প্রথমবারের জন্য মাঠে নামছেন কেন উইলিয়ামসন। পাশাপাশি সানরাইজার্সের জার্সিতে অভিষেক হতে চলেছে চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তনী কেদার যাদবের। মনীশ পান্ডেকেও এদিনের ম্যাচে বাইরে রেখেছে তারা। পঞ্জাব কিংসও তিনটি পরিবর্তন এনেছে তাদের একাদশে। রিলে মেরেডিথ এবং ঝাই রিচার্ডসনের পরিবর্তে পঞ্জাবের জার্সিতে অভিষেক হতে চলেছে ফ্যাবিয়ান অ্যালেন এবং মোইসেস হেনরিকসের। পাশাপাশি জলজ সাক্সেনার পরিবর্তে একাদশে ফিরেছেন মুরুগান অশ্বিন।

টস জিতে রাহুল বলেন, ‘এটা খুবই স্বাভাবিক। এই স্টেডিয়ামে টস জিতে সবাই ব্যাটিং করছে প্রথমে। রিলে, ঝাই এবং জলজ আজকের ম্যাচে বাইরে রয়েছে। ফ্যাবিয়ান, মোইসেস এবং মুরুগান দলে এসেছে। আমরা আমাদের কোর গ্রুপটা সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল। পরিস্থিতি অনুযায়ী সেখানে দু-একটা পরিবর্তন হবে। প্লেয়ারদের ভূমিকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা যত বেশি ম্যাচ খেলব তত বোঝাপড়া বাড়বে। দলে একাধিক তরুণ ক্রিকেটার রয়েছে। আইপিএলের চাপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য ওদের আমরা সময় দিতে প্রস্তুত।

ওয়ার্নার টসের পর জানান, ‘কেবল আমি একা নই। আমার দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারই সবসময় ইতিবাচক রয়েছে। বেশ কিছু বিষয়ে (যেমন গত ম্যাচে আমার রান-আউট) নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। মুজিবের পরিবর্তে কেন আজ দলে এসেছে। সামাদের একটা হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি হয়েছে। ওঁর পরিবর্ত হিসেবে খেলছে কেদার। পাশাপাশি মনীশও আজকের ম্যাচে বাদ পড়েছে।’

একনজরে পঞ্জাব একাদশ: রাহুল (অধিনায়ক/উইকেটরক্ষক), ময়াঙ্ক, গেইল, দীপক, পুরান, শাহরুখ, হেনরিকস, অ্যালেন, শামি, মুরুগান, অর্শদীপ।

একনজরে সানরাইজার্স একাদশ: ওয়ার্নার (অধিনায়ক), বেয়ারস্টো (উইকেটরক্ষক), উইলিয়ামসন, কেদার, শংকর, বিরাট, অভিষেক, রশিদ, ভুবি, সিদ্ধার্থ, খলিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.