প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর: সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের মুখে বড় অঘটন ঘটতে চলেছে তৃণমূল শিবিরে। খুব শীঘ্রই ঘাস ফুল ছেড়ে পদ্মের প্রতীক হাতে তুলে নিত্যে চলেছেন দুই বিধায়ক।

আলোচিত এই দুই ব্যক্তি হলেন বীজপুরের বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় এবং নোয়াপাড়ার বিধায়ক সুনীল সিং। বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের এই বিধায়কের দল ছাড়ার জল্পনায় খুব স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে বিজেপি শিবিরে নাম লেখান তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুকুল রায়। এরপরে গত মাসে পদ্মের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন ভাটপাড়ার বিধায়ক তথা বারাকপুরের দাপুটে নেতা অর্জুন সিং। বীজপুরের বিধায়ক সম্পর্কে মুকুল রায়ের ছেলে। আর সুনীল সিং সম্পর্কে অর্জুন সিং-এর ভগ্নীপতি।

মাস খানেক ধরেই এই দুই বিধায়কের দল বদল ঘিরে চলছিল জল্পনা। যদিও দু’জনেই দল ছাড়ছেন বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন। বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়েও এই দুই বিধায়ককে এক সঙ্গে প্রার্থীর পাশেই দেখা গিয়েছিল। দু’জনেই দীনেশ ত্রিবেদীর হয়ে প্রচারেও বেরিয়েছিলেন। জয়ের বিষয়েও প্রত্যয়ী সুর শোনা গিয়েছে দুই বিধায়কের গলায়।

কিন্তু এই সকল সমীকরণের উর্ধ্বে গিয়ে শনিবার শর্ত সাপেক্ষে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা বলেছেন শুভ্রাংশু। কাঁচরাপাড়ায় রেলের কারখানা এবং সেখানে বীজপুরের লোকেদের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এই দাবি মেনে নিতেও প্রস্তুত। যার ফলে বীজপুর বিধায়কের বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে জোরাল হয়েছে জল্পনা।

অন্যদিকে একই অবস্থা নোয়াপাড়া কেন্দ্রের বিধায়ককে নিয়েও। বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং-এর ভগ্নীপতি সুনীল সিং-কে নিয়ে দলের অন্দরে সন্দেহের বাতাবরণ তৈরি রয়েছে। একথা নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন নয়াপাড়ার বিধায়ক। তবে দল ছাড়ার মতো কোনও ভাবনাচিন্তা তাঁর নেই বলে জানিয়েছেন সুনীলবাবু। তাঁর কথায়, “জেলা তৃণমূলের শীরষ নেতৃত্ব আমায় সন্দেহের চোখে দেখছে। খুব অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে রয়েছি।” যদিও নোয়াপাড়ার বিধায়ক সুনীল সিং শনিবার দিনভর গারুলিয়া পুরসভায়সি চেয়ারম্যান হিসেব নিজের কাজ করে গেছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ