বেজিং: রবিবার সকালে ফের ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে চিন। চিনের তাংশান শহরে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.১। তবে বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, ১৯৭৬ সালে তাংশানে যে ৭.৮ ম্যাগনিটিউডে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, একে বলা যেতে পারে তারই আফটার শক!

অন্যদিকে ভূ-বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা অল্প দিনের মধ্যেই আবারও ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে উঠতে পারে ওই এলাকা। বলা হয়েছে, সেক্ষেত্রে ম্যাগনিটিউড হতে পারে ৫-এর আশেপাশে।

জানানো হয়েছে, রবিবারের ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল মাটি থেকে মাটি থেকে ১০ কিমির ভেতরে। বেজিং, তাইজিন সহ একাধিক এলাকায় এই কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সরকারি ভাবে খবর, ভূমিকম্পের জেরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। যদিও চিনের এই তথ্য অনেকেই মান্তে নারাজ।

জানানো হয়েছে, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল রয়েছে তাংশানের সেই ভূমিকম্পের আফটার শক জোনের মধ্যে। এই ভূমিকম্প একটি সাধারণ ভূমিকম্প বলে দাবি করেছে কেন্দ্র।

১৯৭৬ সালের পর থেকে ৪ ম্যাগনিটিউড-এর বেশি তীব্রতা সম্পন্ন ভূমিকম্প ওই এলাকায় হয়েছে মোট ৩৩২ বার। তবে রবিবারের ভূমিকম্প ধরে মাত্র ৫ টি ভূমিকম্প রয়েছে যার তীব্রতা ছিল ৫ ম্যাগনিটিউডের বেশি।

উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ২৮ জুলাই পরপর ৭ ম্যাগনিটিউডের থেকেও বেশি ভূমিকম্পের জেরে মৃত্যু হয়েছিল কমপক্ষে ২ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষের। যদিও অনেকের দাবি, মৃতের সংখ্যা ছিল আরও বেশি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।