কলকাতা: সতর্কবার্তা ছিল আয়লার থেকেও বড় বেশি ক্ষতি করতে পারে এই ঝড়। কিন্তু আগাম সতর্কবার্তা থাকায় কছুটা হলেও এড়ানো গেলো ক্ষয়ক্ষতি। তবে কম হলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নগন্য নয়।

দক্ষিণ রায়ের রাজত্ব বেশ ভালো রকম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কয়েকটি গাছ গোড়া থেকে উপড়ে গিয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বেশ কয়েকটি কাঁচা বাড়ি। তবে এখনও কোনও বড় ক্ষতি বা প্রাণহানির ঘটনা সামনে আসেনি।

আরও পড়ুন – স্থলভাগে অতি ভয়ঙ্কর বুলবুল, মৃত কমপক্ষে ২

জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার উপকূলবর্তী ব্লক এলাকায় প্রায় ৩০০ টি ফ্লাড সেন্টারকে তৈরি রাখা হয়েছিল। এছাড়া , বন দফতর, পুলিশ কর্মীদের, সেচ দফতরকেও পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে বলা হয়েছিল। সুন্দরবন এলাকায় ফেরি পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল।

সুন্দরবন এলাকার ছবি

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ছিল, রবিবার ভোর রাতে সুন্দরবন, সাগরদ্বীপে আছড়ে পড়বে এই ঝড়। কিন্তু তার বহু আগেই সুন্দরবনে প্রবেশ করে বুলবুল। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সুন্দরবন এলাকা। আয়লা আতঙ্ক মনে করে আতঙ্কিত ছিল সুন্দরবনবাসী। তাই ঝড় মোকাবিলায় কোনও ফাঁক রাখা হয়নি না প্রশাসনের তরফেও। খোলা রাখা হয়েছিল কন্ট্রোলরুমও।