স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : না, স্বস্তি নেই৷ তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়বে শহর৷ চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে এরকমই গরমের পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়া অফিস। বিশেষ করে কলকাতার তাপমাত্রাও পৌঁছতে পারে ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি।

পশ্চিমের কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝড় বা স্বস্তির বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও কলকাতার জন্য তেমন কোনও পূর্বাভাস দেয়নি আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী দিন পাঁচেক প্রধানত পরিস্কার থাকবে আকাশ, ফলে সূর্যের প্রখর রোদ এবং বাংলার চেনা প্যাচপ্যাচে ঘর্মাক্ত গরম অপেক্ষা করে রয়েছে কলকাতাবাসির জন্য।

আরও পড়ুন : ‘গাফিলতি ছিল’ মানছে সন্ত্রাস বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কা

গত কয়েকদিনে ক্রমে বেড়েছে শহরের পারদ। ঝড় বৃষ্টির জন্য অনেকটাই স্বস্তিদায়ক গ্রীষ্ম থাকলেও এবার পারদ চড়বে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। বেড়েছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এদিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি অর্থাৎ একদিকে সিকি ভাগ কমলেও অপরদিকে পারদ চড়ে গরমকে পরিপূর্ণ করে দিচ্ছে। এদিনের সর্বোচ্চ আর্দ্রতা ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৩৫ শতাংশ।

যদিও মন্দের ভালোর মতো বুধবারের চেয়ে সামান্য কমেছে কলকাতার পারদ। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন : ‘কাশ্মীরে মুসলিমদের নমাজ পড়তে দেওয়া হয়না’, বদলা নিতে লস্করে যোগ যুবকের

এবার টানা কয়েকদিন গরম চলবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সহঅধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, রাজস্থান, বিদর্ভের বিভিন্ন অংশে তাপপ্রবাহ চলবে। ফলে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে যে গরম বাতাস পূর্ব ভারতের দিকে আসবে, তার প্রভাব পড়বে।” সেই কারণেই গরম বাড়বে।

চলতি মরসুমের শুরু থেকে গ্রীষ্মের দহন সে ভাবে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়নি। অস্বস্তি বাড়িয়েছে শুধুমাত্র আর্দ্রতা। এ বছরের মার্চে ১৬ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম গরম ছিল কলকাতায়। এপ্রিলে এখনও পর্যন্ত ৩৭.৪ ডিগ্রির উপরে ওঠেনি তাপমাত্রা। সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে একমাত্র বাঁকুড়ায় একদিন তাপমাত্রা ৪৩.৩ ডিগ্রিতে পৌঁছেছিল।