নয়াদিল্লি: ২০২১ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি পেলেন দেশের ‘সেকেন্ড বেস্ট’ টেনিস প্লেয়ার সুমিত নাগাল। পুরুষদের সিঙ্গলসে মূলপর্বের ড্র’য়ের জন্য রবিবার ৭ জন প্লেয়ারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। সেখানে প্রাক্তন বিশ্বের পয়লা নম্বর অ্যান্ডি মারে, জন ও’কোনেলদের সঙ্গে ঘোষিত হয়েছে সুমিত নাগালের নাম।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে পুরুষ সিঙ্গলসে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রির জন্য একটি মাত্র স্থানই বরাদ্দ ছিল। ওয়াইল্ড কার্ডের সমস্ত মানদন্ডগুলিতে নির্বাচকদের আশ্বস্ত করে একমাত্র জায়গাটি ছিনিয়ে নিলেন গত দু’টি মরশুমে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে জায়গা করে নেওয়া এই ভারতীয় টেনিস প্লেয়ার। মহিলাদের সিঙ্গলসে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সেই স্থানটি আদায় করে নিয়েছেন চিনের ওয়াং জিয়ু।

বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে ১৩৬ নম্বর নাগালের জন্য ২০২০ খুব একটা মন্দ যায়নি। করোনা আবহে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে তাঁর প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়টি এসেছিল শেষ হতে চলা বছরেই। যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যাডলি ক্লানকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গিয়েছিলেন হরিয়ানাজাত এই টেনিস প্লেয়ার। দ্বিতীয় রাউন্ডে যদিও চ্যাম্পিয়ন ডমিনিক থিয়েমের কাছে হারতে হয়েছিল নাগালকে। সবমিলিয়ে তিন সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে ২০২১ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন নাগালের কেরিয়ারের তৃতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম হতে চলেছে। মেলবোর্ন পার্কে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি পেয়ে খুশি ভারতীয় টেনিস প্লেয়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তাও দিয়েছেন।

নাগাল লিখেছেন, ‘২০২১ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের জন্য যারা আমায় নির্বাচিত করতে সাহায্য করেছেন তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। কঠিন পরিস্থিতিতেও টুর্নামেন্টকে বাস্তব রূপ দেওয়ার জন্য টেনিস অস্ট্রেলিয়াকে ধন্যবাদ।’ নাগালের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যভাবে ২০২১ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি পেলেন গ্রেট ব্রিটেন তারকা অ্যান্ডি মারে। দু’বছর পর মেলবোর্ন পার্কে মারের প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ডিরেক্টর ক্রেগ টিলে।

টিলে জানিয়েছেন, ‘আমরা দু-হাত বাড়িয়ে অ্যান্ডির প্রত্যাবর্তনকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। ওর অবসর ঘোষণা করা এবং ফিরে আসা পুরোটাই একটা আবেগঘন মুহূর্ত। বড়সড় অস্ত্রোপচারের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার পর গ্র্যান্ড স্ল্যামের জন্য সে নিজেকে কীভাবে প্রস্তুত করেছে তার একটা ঝলক আমরা ২০২১ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে দেখতে পাব।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।