কলকাতা: বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার হলেন ঝাড়গ্রামের তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার হাঁসদা৷ শুক্রবার সর্ব সম্মতিক্রমেই তিনি পেয়েছেন ডেপুটি স্পিকারের পদ৷ কংগ্রেস, সিপিএম ও বিজেপি সহ সব বিরোধী দলের বিধায়করা এক যোগেই সুকুমারবাবুকে সমর্থন করেছেন ডেপুটি স্পিকার পদে৷

আরও পড়ুন: জনগণের ভোটে আবারো ক্ষমতায় আসবে আওয়ামী লীগ

এদিন বিধাযনসভায় বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান থেকে বিজেপির দিলীপ ঘোষ, বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী নয়া ডেপুটি স্পিকারের প্রশংসা করেন৷ বিজেপি বিধায়ক ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এদিন কিছুটা স্বভাব বিরুদ্ধভাবেই শাসক দলের এই বিধায়কের স্তুতি করেন৷ একধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, ‘জঙ্গলমহলের মানুষ সুকুমারবাবু এই পদের যোগ্য দাবিদার ছিলেন৷ রাজ্যের পিছিয়ে পড়া আদিবাসী মানুষরা এর ফলে সম্মানিত হলেন৷’

আরও পড়ুন: আশঙ্কাজনক প্রবীণ অভিনেতা কাদের খান

বিধানসভার বিরোদী দলনেতা কংগ্রেসের আবদুল মান্নান বলেন, ‘সুকুমার হাঁসদাকে ডেপুটি স্পিকার করে আদিবাসী সমাজের প্রতি সুবিচার করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷’

২০১১ থেকেই ঝাড়গ্রামের বিধায়ক ডঃ সুকুমার হাঁসদা৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম সরকারে তিনি ছিলেন পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী৷ ২০১৬ সালে অবশ্য জঙ্গলমহলের এই চিকিৎসক নেতাকে আর মন্ত্রী করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো৷ তাঁকে সংগঠনের কাজে লাগান হয় রাজ্যের শাসক দলের তরফে৷ দল মত নির্বিশেষে সমস্ত স্তরের মানুষের সঙ্গে এই মৃতভাষি মানুষটির সুসম্পর্ক রয়েছে৷ সেই বিষয়টিকেই বিধানসভা পরিচালনার কাজে লাগাতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷

আরও পড়ুন: সাতদিনেও একশো কোটির ক্লাবে নাম লেখাতে পারল না ‘জিরো’

তবে সুকুমার হাঁসদাকে জেপুটি স্পিকার করার পিছনে রাজনৈতিক কারণই দেখছেন বিশ্লেষকরা৷ অনেকেই তৃণমূল সুপ্রিমোর এই পদক্ষেপকে মাস্টার স্ট্রোক বলেও মনে করছেন৷ জঙ্গলমহলে এবছর পঞ্চায়েতে ভালো ফল হয়নি শাসক দলের৷ মাথা তুলেছে গেরুয়া বাহিনী৷ আদিবাসীদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে পদ্ম শিবির৷ বিজেপির রমরমা রুখতে তাই আদিবাসী এলাকায় উন্ননে জোর দিয়েছে রাজ্য সরকার৷ খারাপ ফলের জন্য ভর্ৎসনা করা হয় তৃণমূলের নেতাদের৷ মন্ত্রীত্ব কেড়ে নেওয়া হয় চূড়ামণি মাহাতোর৷

আরও পড়ুন: বুলন্দশহরে ইনস্পেক্টর খুনে ধৃত মূল অভিযুক্ত

এরপর আদিবাসী কোনও নেতাকে বিধানসভার সর্বোচ্চ স্তরের কাজে এনে জঙ্গলমহলকেই বার্তা দিতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এক্ষেত্রে সুকুমারবাবুই তাঁর বিশ্বস্ত সৈনিক৷ ফলে এই চিকিৎসক নেতাকে ডেপুটি স্পিকার পদে বসানো শাসক শিবিরের মাস্টার স্ট্রোক বলেই মনে করা হচ্ছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।