নয়াদিল্লি: আরও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সাজানো হচ্ছে ‘সুখোই-৩০’। আরও বেশি উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র দিয়ে তৈরি করা হবে ‘সুপার সুখোই’। এই উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। জানা গিয়েছে, পরবর্তী প্রজন্মের সুখোই বিমানে একদিকে যেমন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এভিয়োনিক্স লাগানো হবে, তেমনই এতে যুক্ত করা হবে সুপারসনিক ‘ব্রাহ্মোস’ ক্রুজ মিসাইল।

বায়ুসেনার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক ব্রাহ্মোস মিসাইলটি হবে ‘বিয়ন্ড ভিজুয়্যাল রেঞ্জ’-এর শ্রেণির। অর্থাৎ, শত্রু চোখের সীমার বাইরে থাকলেও, মিসাইল তাতে টার্গেট করে আঘাত করতে পারবে। এয়ারফোর্সের আধিকারিকদের মতে, বর্তমান যুগে আধুনিক যুদ্ধপদ্ধতির অনেক বিবর্তন হয়েছে। ১৯৬৫ বা ১৯৭১ সালে যেভাবে সামনাসামনি যুদ্ধ হত, এখন আর তা সম্ভব নয়। এখন শত্রুকে না দেখেই তাকে নিশানা করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বর্তমানে সুখোইতে যে ব্রাহ্মোস মিসাইল আছে, তার পাল্লা হচ্ছে ৫০-৭০ কিলোমিটার। কিন্তু, উন্নত প্রযুক্তির মিসাইলটির পাল্লা হবে ৩০০ কিলোমিটার। সুতরাং ভারতের জন্য এটা ‘গেম চেঞ্জার’ হতে পারে। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, সম্ভবত এই মাসের শেষের দিক থেকে এই নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হবে। আর এই পরীক্ষা চলছে ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে। বর্তমানে সুখোই বিমানগুলি চতুর্থ প্রজন্মের। কিন্তু, ‘সুপার সুখোই’-গুলি হবে ৪.৫ প্রজন্মের।

শুধু সমরাস্ত্রে নয়, ‘সুপার সুখোই’-তে সর্বাধুনিক যে এভিয়োনিক্স থাকবে তার মধ্যে রয়েছে – অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেম, উন্নত সফটওয়্যার, বায়ুসেনার পাইলটদের সুবিধার্থে টাচ ডিসপ্লে ও হেলমেট-মাউন্টেড ডিসপ্লে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবকটি আধুনিক বিমানে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এর ফলে মাঝ-আকাশে পাইলটদের রণকৌশল বদলাতেও সুবিধে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব