কলকাতা: রাজ্যের শিল্পায়ন ইস্যুতে বিজেপি-তৃণমূলের সমালোচনায় বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। এই দুই দলের মিলিত কর্মকাণ্ডেই বাংলার কর্মসংস্থানের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল বলে দাবি সুজন চক্রবর্তীর। বাংলায় কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাওয়াতেই রাজ্যের যুবকরা পরিযায়ী হয়েছেন বলেও টুইটে দাবি করেছেন সুজন চক্রবর্তী।

টুইটে আবারও সিঙ্গুর থেকে টাটাদের চলে যাওয়া ইস্যু নিয়ে সরব সুজন চক্রবর্তী। পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশার ছবিটা বোঝাতে গিয়েই এদিন সিঙ্গুর থেকে টাটাদের চলে যাওয়ার বিষয়ট টুইটে উল্লেখ করেন সুজন।

এব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রীর কড়া সমালোচনা করেছেন সুজন। একইসঙ্গে বিঁধেছেন বিজেপিকেও। সিঙ্গুর থেকে টাটাদের তাড়ানোর আন্দোলনে বিজেপি তৎকালীন তৃণমূলের সঙ্গী ছিল বলে দাবি বাম পরিষদীয় দলনেতার।

টুইটে সুজন চক্রবর্তী লেখেন, ‘যেদিন সিঙ্গুরের গাড়ী কারখানা কিংবা অটো বা কেমিক্যাল হাব ধ্বংসের উৎসব করেছিলেন মাননীয়া, সেদিনও বিজেপি ছিল সঙ্গী। সেদিনই কর্মসংস্থানের স্বপ্নভঙ্গ! গ্রাম-শহরের যুবকেরা পরিযায়ী হয়ে গেল। শ্রমজীবীদের বিরুদ্ধে আজও ওই দু’দলের যুগলবন্দী আক্রমণ। বাংলার এই সর্বনাশের দায় @MamataOfficial।’

করোনা মোকাবিলায় একটানা লকডাউনের জেরে দেশের এখাধিক রাজ্যে আটকে পড়েন লক্ষ-লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক। পরে রেল ও সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির উদ্যোগে পরিযায়ীদের তাঁদের নিজেদের রাজ্যে ফেরানো হয়।

যদিও বাড়ি ফেরার পথে একাধিক দুর্ঘটনায় গত কয়েক মাসে মৃত্যু হয়েছে বহু পরিযায়ীর। এমনকী নিজেদের রাজ্যে ফিরে এসেও কর্মসংস্থানের সুযোগ কম থাকায় দারুণ অর্থ সংকটে পড়েছেন তাঁরা।

বাংলাতেও গত কয়েক সপ্তাহে ফিরে এসেছেন বহু পরিযায়ী। ভিনরাজ্য থেকে কাজ হারিয়ে ফিরে এসে এখানেও নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের সেই সমস্যা বোঝাতেই বাম সরকারের আমলে সিঙ্গুরের শিল্পায়ন ইস্যুটি নতুন করে সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন সুজন।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।