কলকাতা: নির্বাচনের মধ্যেই সংযুক্ত মোর্চার অন্যতম সদস্য সিপিআইএমের জন্য বড় ধাক্কা। করোনা আক্রান্ত হলেন যাদবপুরের সিপিআইএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী। তাঁর শরীরে করোনার মৃদু উপসর্গ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সিপিআইএম নেতাকে। ভোর রাতে তাঁর কোভিড পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। তাঁর কেন্দ্রে অবশ্য আগেই ভোট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু লালঝাণ্ডার হয়ে সংযুক্ত মোর্চার জন্য ভোট চাইতে একাধিক জেলায় প্রচারের কাজে যুক্ত ছিলেন সুজন চক্রবর্তী। জেলা থেকে কলকাতা ফিরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে, তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উল্লেখ্য, সিপিআইএমের এই নেতার বয়স ৬২ বছর। ফলে মৃদু উপসর্গ থাকলেও তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। আগের বার তাঁর গাড়ির চালক করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তিনি নিজেকে কোয়ারেন্টাইনে রেখেছিলেন, কিন্তু করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ যেহেতু আরও সংক্রামক তাই হয়তো নিজেকে আক্রান্ত হওয়ার থেকে রক্ষা করতে পারলেন না সুজন চক্রবর্তী।

উল্লেখ্য, নির্বাচনের মধ্যে একদিকে যেমন সংক্রমণ মাথাচারা দিয়ে উঠেছে, তেমনই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বহুপ্রার্থী। ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হক ও জঙ্গিপুরের আরএসপি প্রার্থী প্রদীপ নন্দীর।

এছাড়াও শাসকদলের একাধিক নেতা কর্মীও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বারবার। সম্প্রতি ভাইরাসের কবলে পড়েছিলেন কৃষ্ণনগর দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী উজ্বল বিশ্বাস৷ গোয়ালপোখরের তৃণমূল প্রার্থী গোলাম রব্বানি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন জলপাইগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী পেশায় চিকিৎসক প্রদীপ কুমার বর্মাও। এছাড়া চুঁচুড়া কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদারও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৮১৯ জন। যা দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে বাংলায় এখনও সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৬ জনের। যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে৷

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৭৮ হাজার ১৭২। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৮০৫ জন। মোট মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ৬৫২জন৷ এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৫৮ হাজার ৩৮৬। বাংলায় সুস্থতার হার ৮৯.৮২ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.