কলকাতা: বিজেপি-তৃণমূলকে এক আসনে বসিয়ে তুলোধনা বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর। সম্প্রতি রাজ্যের দুই প্রান্তে বিজেপি ও তৃণমূলের পৃথক দুটি মিছিলে ওঠে ‘গোলি মারো শালোকো’ স্লোগান। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক ছড়ায়। বঙ্গ-রাজনীতিতে এই ধরনের ভাষার ব্যবহার সম্পূর্ণ অপরিচিত বলে মনে করেন বুদ্ধিজীবীরা।

কলকাতায় তৃণমূলের মিছিলে ‘গোলি মারো শালোকো’স্লোগান ওঠে। একই স্লোগান শোনা যায় চন্দননগরে বিজেপির মিছিলেও। তবে চন্দননগরের ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপিকর্মীদের পুলিশ গ্রেফতার করলেও কলকাতায় একই দোষে দুষ্ট তৃণমূলকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। টুইটে এই ঘটনার রেশ টেনে রাজ্য প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন সুজন।

বিধানসভা ভোট শিয়রে। সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। একদিকে ‘উন্নয়ন’-কে হাতিয়ার করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে মরিয়া শাসকদল তৃণমূল। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ এনে ময়দানে বিজেপি। একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া পদ্ম-শিবির।

শাসকদলের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজ্যজুড়ে প্রচারে ঝড় তুলছে গেরুয়া শিবির। নিয়ম করে রাজ্যে আসছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় বেতারা। কর্মিসভা, রোড শো করে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টায় গেরুয়া ব্রিগেড। অন্যদিকে, নিজেদের মতো করে কর্মসূচি সাজিয়ে ভোটে সাফল্য পাওয়ার চেষ্টায় বাম-কংগ্রেস।

সম্প্রতি কলকাতায় তৃণমূলের মিছিলে ওঠে ‘গোলি মারো শালোকো’ স্লোগান। একই স্লোগান শোনা যায় হুগলির চন্দননগরে বিজেপির মিছিলেও। বিজেপিকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করে। পরে তাদের গ্রেফতারও করা হয়।

বর্তমানে জেল হেফাজতে আছেন ওই বিজেপিকর্মীরা। তবে কলকাতায় তৃণমূলের মিছিলে ‘গোলি মারো শালোকো’ স্লোগান দেওয়া তৃণমূলকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। এপ্রসঙ্গে রাজ্য পুলিশকে কটাক্ষ করে টুইট করেছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।

টুইটে সুজন চক্রবর্তী লিখেছেন, ‘‘গোলী মারো শালোকো’। কলকাতায় তৃণমূল বিজেপি৷ দুজনের মুখে একই শ্লোগান। কিন্তু বিচার আলাদা।। বিজেপির বদরক্ত নিয়েই তৃণমূল। একই ডিএনএ দু দলের।। হিংসা আর বিভাজনের রাজনীতি। বিজেপির সংস্কৃতি আর নীতিহীনতা আমদানি করেই এ রাজ্যের তৃণমূল। এদের হাতে রাজ্যের সর্বনাশ৷ রুখতেই হবে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.