কলকাতা: কেন্দ্রের বিকল্প কৃষি আইন তৈরির দাবি বাম পরিষদীয দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর। বিধানসভায় এব্যাপারে তৎপরতা নেওয়া উচিত রাজ্য সরকারের, এমনই মনে করেন সুজন চক্রবর্তী। কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের বিরোধিতা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে সমালোচনা করলেন সুজন। টুইটে এই বাম নেতা লিখেছেন, ‘‘বিজেপির বিরোধিতায় মাননীয়ার এত ভয় কেন?।’’

নয়া কৃষি আইনে কৃষকদের ‘সর্বনাশ’। এমনই আশঙ্কা দেশের কৃষক-সমাজের একটি বড় অংশের। আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লি ঘেরাও করে রেখেছেন লক্ষ-লক্ষ কৃষক। কৃষি আইন নিয়ে ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে কেন্দ্রীয় সরকার।

একদিকে, আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় কৃষকরা। আইন বাতিল না হলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি কৃষক সংগঠনের। কৃষকদের সমর্থনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ তুলেছে রাজনৈতিক দল, সংগঠন থেকে শুরু করে খ্যাতনামা ব্যক্তিরা। নয়া আইন বাতিলের দাবিতে একটানা প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে দিল্লিতে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন লক্ষ-লক্ষ কৃষক।

প্রবল শীত উপেক্ষা করেই দিল্লির দরবারে কৃষকরা। নাছোড় মনোভাব নিয়েই এবার দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি। ইতিমধ্যেই কৃষি আইনে সংশোধনী আনার প্রস্তাব দিয়েছে কেন্দ্র। সরাসরি সেই প্রস্তাব নাকচ করেছে কৃষক সংগঠনগুলি। উল্টে আন্দোলনের সুর এখন আরও চড়া। সোমবার একদিনের প্রতীকী অনশন পালন করেন কৃষকরা। কৃষকদের সঙ্গে প্রতীকী অনশনে কৃষকদের সঙ্গে যোগ দেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কৃষকদের স্বার্থে কেন্দ্রের নয়া আইন বাতিলের দাবিতে সরব হয়েছেন। এমনকী দিল্লিতে আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলতে পাঠিয়েছেন দলের সাংসদদের। প্রকাশ্য সভা-মঞ্চ থেকে কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও কেন্দ্রের বিকল্প আইন রাজ্যে তৈরির তৎপরতা এখনও নেননি তিনি। এই বিষয়টি নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সমালোচনায় বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।

টুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে দুষে তিনি লিখেছেন, ‘‘বিজেপির বিরোধিতায় মাননীয়ার এত ভয় কেন? বিধানসভা ডেকে কেন্দ্রের বিকল্প কৃষি আইন তৈরি হোক। রাজ্যের ২০১৪, ২০১৭-র কৃষকবিরোধী আইন বাতিল হোক। দালালরাজ চলবে না।’’ কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তেপা দেগে সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী টুইটে আরও লিখেছেন, ‘‘কেন্দ্রীয় কৃষি আইন সর্বনাশা। বাতিলের দাবীতে অন্নদাতারা রাস্তায়। ধরা পড়ে যাচ্ছেন যে!
মাননীয়া কোন পক্ষে- স্পষ্ট করুন।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।