কলকাতা: এবার রাজ্যে পুরোহিত ভাতা নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ নিয়ে এবার রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। টুইটে সুজন চক্রবর্তী লিখেছেন, ‘‘ভাতা পাবার পুরোহিত তালিকায় তৃণমূল নেতাদের নাম। আমফান ত্রানের তালিকায় বাছাই করে প্রধান, সদস্য, নেতাদের নাম। রাজ্য জুড়ে সর্বত্রই লুঠ।’’

সম্প্রতি নদিয়ার তেহট্ট ১ নম্বর ব্লকে পুরোহিত ভাতা পাওয়ার তালিকায় দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ, ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত পুরোহিতের নাম না থাকলেও তালিকায় নাম রয়েছে জেলা তৃণমূলের এক নেত্রীর স্বামীর। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছে পুরোহিত-সমাজ। এমনকী স্থানীয় বিডিও-কেও এব্যাপারে নালিশ জানিয়েছেন পুরোহিতদের কয়েকজন। সরকারি ভাতা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন পুরোহিতদের একাংশ।

রাজ্যের ৮ হাজার পুরোহিতকে মাসে ১ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেই জেলায়-জেলায় পুরোহিত ভাতা পেতে নাম নথিভুক্তকরণের কাজ চলছে পুরোদমে। নদিয়ার তেহট্টের পুরোহিতদের একাংশের অভিযোগ, ভাতা পাওয়ার তালিকায় এলাকার বেশ কিছু মন্দিরের পুরোহিতদের নাম নেই।

অথচ পুরোহিত না হয়েও তৃণমূল জেলা পরিষদের এক সদস্যের স্বামীর নাম রয়েছে ভাতা প্রাপকদের তালিকায়। এমনকী অভিযোগ, পুরোহিত নয় এমনও বহু ব্যক্তিরই নাম রয়েছে তালিকায়। শাসকদলের ঘনিষ্ঠদের অনৈতিকভাবে পুরোহিত ভাতা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আমফানের ত্রাণের টাকা নিয়েও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল রাজ্যজুড়ে। বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল নেতাদের মদতে সরকারি ত্রাণের টাকা ‘লুঠ’ হয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। এবার পুরোহিত ভাতা নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি শাসকদল তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করেছেন সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী।

টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘‘ভাতা পাবার পুরোহিত তালিকায় তৃণমূল নেতাদের নাম। আমফান ত্রানের তালিকায় বাছাই করে প্রধান, সদস্য, নেতাদের নাম। রাজ্য জুড়ে সর্বত্রই লুঠ। কার তালিকা কে বানাচ্ছে? নবান্ন না কালিঘাট? রক্ষকই যে ভক্ষক!! দুর্নীতি আর তৃণমূল যে সমার্থক – মাননীয়া।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।