কলকাতা: বিধানসভা ভোটের আগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের মুখে দলবদলের হিড়িক। শাসক-বিরোধী সব পক্ষই এখন ঘর গুছোতে ব্যস্ত। একদা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী শাসকদলের ৬ বিধায়ককে নিয়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। ভোটের আগে তৃণমূলের আরও কয়েকজনের বিজেপি-যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। দলবদলের এই হিড়িক নিয়েই তৃণমূলকে আক্রমণ বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর।

বিধানসভা ভোটের মুখে বিজেপিকে বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে শুভেন্দুর-গেরুয়া যোগ। গত শনিবার মেদিনীপুর কলেজ মাঠে বিজেপির সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী।

সেদিন শাহের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু। পরে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় তিনি জানান, তাঁর পুরনো দল তৃণমূলের হয়ে যেভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতেন ঠিক তেমনি বিজেপিতেও সক্রিয় ভূমিকায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

বিধানসভা ভোটের ঠিক মুখে চনমনে পদ্ম-শিবির। তৃণমূলের একদা অন্যতম শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী শাসকদলের হাফ-ডজন বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বামেদের দুই ও এক কংগ্রেস বিধায়ক।

বিধানসভা ভোটের আগে এরাজ্যে দলের শক্তি-বৃদ্ধিতে বেশ খুশি মোদী-শাহরা। শুভেন্দুকে যেমন শাহ নিজের ছোট ভাইয়ের জায়গা দিয়েছেন, তেমনি শুভেন্দুও দল বদলের সভায় অমিত শাহকে বড় দাদার আসনে বসিয়েছেন।

অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের স্ত্রীকে দলে টেনে বিজেপিকে পাল্টা ‘জবাব’ দিয়েছে তৃণমূলও। তবে শুভেন্দুর মতো বড় নেতা দলছাড়া হওয়ার পর সৌমিত্র খাঁয়ের স্ত্রী সুজাতা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ঘটনাকে এক করে দেখছে না রাজনৈতিক মহল।

বিধানসভা ভোটের মুখে বিজেপি-তৃণমূলে এই দলবদলের হিড়িককে কটাক্ষ করেছেন সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। টুইটে তৃণমূলকে বিঁধে তিনি লিখেছেন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস দলটার উঠে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। পিসি-ভাইপোর দলের মাথায় এখন পিকে’র কোম্পানি।।’’

সুজনের নিশানায় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে দলের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরও। টুইটে তাঁদের বিঁধে সুজন আরও লিখেছেন, ‘‘অমিত শা’র মনোনীত প্রশান্তকিশোর, নীতিশকুমারের হাত ঘুরে এখন মাননীয়ার পরামর্শদাতা!!’’চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। সবই ধরা পড়ে যাচ্ছে যে।
শুধু সময়ের অপেক্ষা।।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।