কলকাতা: একুশের বিধানসভা ভোটের আগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। শুভেন্দু-যোগে চনমনে গেরুয়া শিবির। পাল্টা বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের স্ত্রীকে দলে টেনে জবাব দিয়েছে তৃণমূলও। বিধানসভা ভোটের আগে ঘাসফুল ও গেরুয়া-শিবিরে দলবদলের হিড়িককে কটাক্ষ বামেদের। বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী শুভেন্দুর দলবদল নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। একইসঙ্গে টুইটে সমালোচনা করেছেন তৃণমূলনেত্রীরও।

একুশের ভোট আসন্ন। তৎপরতা তুঙ্গে শাসকদল তৃণমূল, বিজেপি, বাম-কংগ্রেসের। নিজেদের মতো করে কর্মসূচি সাজিয়ে জন সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টায় কসুর ছাড়তে নারাজ রাজনৈতিক নেতারা। একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির।

তৃণমূলকে সরিয়ে এবার বাংলায় বিজেপির নেতৃত্বেই সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদী মোদী-শাহরা। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে দু’শোরও বেশি আসনে জিতবেন দলের প্রার্থীরা, সম্প্রতি রাজ্য সফরে এসে এমনই আশাপ্রকাশ করে গিয়েছেন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ।

বিধানসভা ভোটের মুখে বিজেপিকে বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে শুভেন্দুর-গেরুয়া যোগ। শনিবার মেদিনীপুর কলেজ মাঠে বিজেপির সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেদিন শাহের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু। পরে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় তিনি জানান, তাঁর পুরনো দল তৃণমূলের হয়ে যেভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতেন ঠিক তেমনি বিজেপিতেও সক্রিয় ভূমিকায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

বিধানসভা ভোটের ঠিক মুখে চনমনে পদ্ম-শিবির। তৃণমূলের একদা অন্যতম শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী শাসকদলের হাফ-ডজন বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বামেদের দুই ও এক কংগ্রেস বিধায়ক। বিধানসভা ভোটের আগে এরাজ্যে দলের শক্তি-বৃদ্ধিতে বেশ খুশি মোদী-শাহরা। শুভেন্দুকে যেমন শাহ নিজের ছোট ভাইয়ের জায়গা দিয়েছেন, তেমনি শুভেন্দুও দল বদলের সভায় অমিত শাহকে বড় দাদার আসনে বসিয়েছেন।

বিজেপি-তৃণমূলে এই দলবদলের হিড়িককে কটাক্ষ করেছেন সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। টুইটে শুভেন্দু অধিকারী ও নাম না করে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একযোগে বিঁধেছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা। সুজন চক্রবর্তী টুইটে লিখেছেন, ‘‘শুভেন্দু অধিকারী কবে প্রকাশ্যে বিজেপিতে যোগ দিলেন, এটা কোনও খবরই না। বরং মাননীয়া কবে অপ্রকাশ্য থেকে বিজেপিতে প্রকাশ্য হবেন, খবর সেটাই।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।