কলকাতা: কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে নতুন করে লকডাউনের ঘোষণায় রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনায় বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। রাজ্যের এই ঘোষণার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন এই বাম নেতা। তাঁর কথায়, ‘এ আবার নতুন কি ঘোষণা? কন্টেইনমেন্ট জোনে তো এমনিতেই লকডাউন। আবার বলতে হচ্ছে কেন? ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি?’

আনলক পর্যায় শুরু হতেই গোটা দেশে করেনাার সংক্রমণ হু হু করে বেড়েই চলেছে। এরাজ্যেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও। বুধবার বিকেল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয় তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৩ হাজার ৮৩৭। বাংলায় করোনায় মৃত বেড়ে ৮০৪।

মাত্রাছাড়া সংক্রমণে লাগাম পরাতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজ্যের কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে নতুন করে আরও কড়া লকডাউনের ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। শহর কলকাতার পাশাপাশি একাধিক জেলার কন্টেনমেন্ট জোনে আরও কিছু বিধি-নিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা থেকে এলাকাভিত্তিক কন্টেনমেন্ট জোন ও বাফার জোনে কড়া লকডাউন শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লকডাউন যে এলাকায় থাকবে সেখানে সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিল্প প্রতিষ্ঠান, কারখানা, বাজার-দোকান সমস্ত কিছুই বন্ধ থাকবে। কাউকেই বাড়ির বাইরে বেরোনয় অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই এলাকায় যান চলাচলও বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে।

এদিকে, রাজ্যের এই ঘোষণার সমালোচনায় সরব হয়েছেন সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। টুইটে তাঁর প্রশ্ন, ‘এ আবার নতুন কি ঘোষণা? কন্টেইনমেন্ট জোনে তো এমনিতেই লকডাউন। আবার বলতে হচ্ছে কেন? ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি? যে সরকার কাল চিঠি দিল মেট্রোরেল চালাবার জন্য, পরের দিন তারাই বলছে কড়া লকডাউনের কথা! যুক্তি, পরিকল্পনা কি? সার্কাস চলছে? সরকারের অপদার্থতায় ক্রমশ বিপদ বাড়ছে রাজ্যবাসীর।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ