কলকাতা: বিধানসভা ভোটের আগে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। শাসক-বিরোধী তরজা তুঙ্গে। এই আবহেই আবারও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। টুইটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী লিখেছেন, ‘‘সবই তো হচ্ছে!! কিন্তু ‘সততার প্রতীক’ পোষ্টারটা কোথায়- মাননীয়া??’’

বিধানসভা ভোটের পারদ চড়ছে। একদিকে, ‘উন্নয়ন’-কে হাতিয়ার করে বাংলায় ক্ষমতা ধরে রাখতে তৎপর শাসকদল তৃণমূল। অন্যদিকে, তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বাংলা দখলে মরিয়া পদ্ম শিবির।

রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। বিধানসভা ভোটের আগে দলের সংগঠনকে চাঙ্গা করাই এখন গেরুয়া শিবিরের মূল লক্ষ্য। জেলায়-জেলায় ছোট-ছোট কর্মিসভা করে সেই তৎপরতাই নিচ্ছেন দলের নেতারা। অন্যদিকে, ভোট ময়দানে লড়াইয়ে বাম-কংগ্রেসও। নিজেদের মতো করে কর্মসূচি সাজিয়ে সংগঠন মজবুত করার চেষ্টায় দুই দল।

এর আগে একাধিক ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। দিন কয়েক আগেই বিধানসভায় আস্থা ভোট করার দাবি তোলেন সুজন। ভোটের আগে একাধিক তৃণমূল বিধায়ক দল ছেড়েছেন।

রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, আরও বেশ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কও শীঘ্রই দল ছাড়বেন। সেই আশঙ্কা থেকেই রাজ্য বিধানসভায় আস্থা ভোট ডাকার দাবি তোলেন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান, সুজন চক্রবর্তী। আস্থা ভোট ডাকা না হলে নবান্নে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন সুজন।

স্বভাবসিদ্ধ ঢঙেই আবারও টুইটে তৃণমূলনেত্রীকে আক্রমণ শানালেন যাদবপুরের সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। টুইটে সুজন লিখেছেন, ‘‘সবই তো হচ্ছে!! কিন্তু ‘সততার প্রতীক’ পোষ্টারটা কোথায়- মাননীয়া??’’

এরই পাশাপাশি তৃণমূলের একাধিক কর্মসূচি নিয়ে টুইটে কটাক্ষ করেছেন এই বাম নেতা। তিনি লিখেছেন, ‘দিদিকে বলো’ ,’বাংলার গর্ব’, ‘উন্নয়ন রাস্তায়’, সবই তো হলো!! শেষমেশ এখন ‘দুয়ারে সরকার’ কিংবা ‘পাড়ায় সমাধান’!! প্রতারণার একশেষ। পরিত্রাণ চাই।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।