কলকাতা : সম্প্রতি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়৷ খুশির এই খবর পাড়তে না পাড়তেই ছেলের প্রথম ছবি পোস্ট করলেন সুদীপা৷ ছেলের নাম রেখেছেন আদিদেব৷ ডাক নাম আদি৷ আদির দুই পায়ের ছবি ছাডা় আপাতত আর কিছুই নেই ছবিতে৷ ছবিটা দেখে খানিকটা, “এটা তো সবে শুরু এখনও গোটা ফিল্ম বাকি রয়েছে” ভাইব আসছে৷

সুদীপার ছেলের ছবি দেখার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া৷ তাই তাদের উত্তেজনা কিছুটা কমাতে ছেলের পায়ের ছবি পোস্ট করেছেন তিনি৷ সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছিল তাঁর সাধের বেশ কয়েকটি ছবি৷ কাঁসার থালায় একে একে সাজানো হয়েছে খাবার৷ পাশে আট রকমের বাটিতে আট রকমের রান্না৷ চলছে সাধের অনুষ্ঠান৷ বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয়েছিল তারই সাধের পর্ব৷

আজকাল প্রায় বহু আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেই সাধের নিমন্ত্রণ আসে৷ যদিও বাপের বাড়ি থেকে সাধ পেলে তা নিমন্ত্রণের তালিকায় পড়ে না৷ সুদীপার বাপের বাড়ি থেকে সাধের আয়োজন করা হয়েছিল তার জন্য৷ সেই ছবি নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন সুদীপা৷

মাস খানেক আগে লাল ঢাকাই, এক গা গয়না পরে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন৷ ছবিতে দেখা গিয়েছিল সুদীপা সেজে গুজে বসে রয়েছেন৷ সামনে নানা খাবারের পদ। সেই সময়ই তাঁর অনুরাগীরা জানতে পারে যে সুদীপা অন্তঃসত্ত্বা৷ পুজোয় ডবল খুশির আমেজ নিয়ে কেটেছিল সুদীপার সময়৷ তাঁর স্বাদের অনুষ্ঠানের প্রতিটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। বাপের বাড়ির সাধের দুটি ছবি পোস্ট করেছিলেন৷ একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, সুদীপাকে আশীর্বাদ করছেন তাঁর মা৷

এবং অন্যটিতে খাবারেগুলির ক্লোজ আপ৷ খাদ্যরসিক বাঙালি হলে যা হয়৷ খাবারের প্রতিটি মেনু সকলকে না দেখাতে পারলে মনটা আনচান করে৷ মাংস, চিংড়ি মাছের মালাইকাড়ি, মাছভাজা, পাঁচ রকমের ভাজা সবজি, দই, পায়েস আরও কত কী৷ সবই ছিল সুদীপার পাতে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.