কলকাতা: শেষ মুহূর্তে সফর বাতিল করলেন উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন। বুধবার রাজ্যে আসার কথা ছিল তাঁর। বৃহস্পতিবার জেলার ও রাজ্যের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল। কিন্তু বুধবার সফর সূচি বাতিল করেন তিনি। প্রসঙ্গত এদিন কিছু ভোটকেন্দ্রও ঘুরে দেখার কথা ছিল তাঁর।

পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু, কেরালা ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট আসন্ন। তবে এখনও ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই এই চার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ঘুরে গিয়েছেন কমিশনের কর্তারা। নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে কয়েক দফায় আলোচনাও হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের। বুধবার দিল্লিতে বাংলা-সহ চার রাজ্যের নির্বাচনের নির্ঘণ্ট নিয়ে ফের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসে কমিশন। দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানে পশ্চিমবঙ্গ সহ একাধিক রাজ্যের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে কিছু নির্দেশ জারি হয়। সেসব নিয়ে কথা বলতেই তাঁর রাজ্যে আসার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি সফর বাতিল করে দেন। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের জন্য এখন যেহেতু কিছুটা সময় রয়েছে তাই এখনই উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈনকে রাজ্যে পাঠাতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন।

বাংলায় এবার ৬ হাজার ৪০০ বুথকে ইতিমধ্যেই স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। যা নির্বাচন হতে চলা বাকি রাজ্যগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ। আসন্ন নির্বাচনে এবার পশ্চিমবঙ্গে বুথের সংখ্যা বহুগুণে বাড়ানো হচ্ছে। জানা গিয়েছে, বাংলায় এবার বুথের সংখ্যা ৭৮ হাজার ৯০৩ থেকে বেড়ে হচ্ছে ১ লক্ষ ১ হাজার ৭৯০। প্রসঙ্গত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আমলারা বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকেই রাজ্যে ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে সেটা হওয়ার নয়, কেননা ফেব্রুয়ারি মাসের শেষেও ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করেনি জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

গত ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়েছিল ৩ মার্চ। প্রথম দফার ভোট হয়েছিল ৪ এপ্রিল। ৭ দফায় ভোটার পর ভোট গণনা হয়েছিল ১৯ মে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অসমে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় ইঙ্গিত দিয়েছে মার্চের প্রথম সপ্তাহে ভোট ঘোষণা হতে পারে। তিনি বলেছেন, ভোট ঘোষণার পর তিনি অনেকবার অসমে আসবেন প্রচারে। এই সভায় প্রধানমন্ত্রী আবার রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকা রের কথা বলেন। প্রসঙ্গত পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির শীর্ষ নেতারা এসে ভোটের প্রচারে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কোথায় বলে চলেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।