কলকাতা: আইএসএলের ভরা মরশুমে ঢাকে কাঠি পড়ে গেল আইলিগের। মঙ্গলবার ঘোষিত হয়ে গেল আইলিগের সূচি। আগামী ৯ জানুয়ারি লিগে অভিষেককারী দিল্লির সুদেবা এফসি বনাম আইলিগ দ্বিতীয় ডিভিশন চ্যাম্পিয়ন কলকাতার মহামেডান স্পোর্টিং ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে আইলিগ। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে উদ্বোধনী এই ম্যাচ হতে চলেছে দিল্লির ক্লাবটির হোম ম্যাচ।

গোয়ায় আইএসএলের জন্য যেমন তিনটি ভেন্যু বেছে নেওয়া হয়েছে, তেমনই কলকাতায় তিনটি স্টেডিয়ামকে বেছে নেওয়া হয়েছে আইলিগের জন্য। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ছাড়া কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গন এবং কল্যাণী মিউনসিপ্যাল কর্পোরেশনকে বেছে নেওয়া হয়েছে আইলিগের ভেন্যু হিসেবে।

৯ জানুয়ারি টুর্নামেন্ট শুরুর দিন তিনটি ম্যাচ রাখা হয়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচে দুপুর দু’টোয় সুদেবা-মহামেডান স্পোর্টিং’য়ের পর প্রথমদিনের দ্বিতীয় ম্যাচে বিকেল ৪টের সময় কল্যাণী স্টেডিয়ামে আইজল এফসি’র মুখোমুখি হবে রাউন্ডগ্লাস পঞ্জাব এফসি। সন্ধে ৭টায় কল্যাণীতেই চেন্নাই সিটি এফসি মুখোমুখি হবে গোকুলাম কেরালা এফসি’র। মঙ্গলবার প্রথম দশ রাউন্ডের সূচি ঘোষণা করা হয়েছে ফেডারেশনের তরফ থেকে। পরবর্তী দশ রাউন্ডের সূচি পরে ঘোষণা করা হবে।

গত মরশুমের মতোই ওয়ান স্পোর্টস আইলিগের ম্যাচগুলি সরাসরি সম্প্রচার করবে। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াতেও লাইভ স্ট্রিমিং’য়েরও ব্যবস্থা থাকছে। কোভিডের কারণে আইএসএলের মতোই একটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দেশের সেকেন্ড টিয়ার ফুটবল লিগ। জৈব নিরাপত্তা বেষ্টনীতে কলকাতা এবং তদসংলগ্ন কল্যাণীকে বেছে নেওয়া হয়েছে ভেন্যু হিসেবে।

আইলিগ সিইও সুনন্দ ধর জানিয়েছেন, ‘এবছর আমরা হিরো আইলিগের একটা নতুন ভার্সন দেখব, সব দলগুলো যেখানে বায়ো-বাবলের মধ্যে থেকে মাঠে নামবে। এটা প্রত্যেক ফুটবলার, কোচ এবং অফিসিয়ালদের কাছে একটা নতুন অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নিঃসন্দেহে গ্যালারিতে দর্শক উন্মাদনা থাকলে খুব ভালো হত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু সকল ফুটবল অনুরাগীদের কাছে আমার অনুরোধ এতে ফুটবলের স্পিরিট যেন কোনওভাবে নষ্ট না হয়। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্রত্যেক দলকে আমার শুভেচ্ছা।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।