কলকাতা: আমহার্স্ট স্ট্রিট পুলিশ কোয়ার্টারের ১০ তলা থেকে পড়ে মৃত্যু পুলিশকর্মীর মেয়ের৷ মেয়েটির বাবা লালবাজারে কর্মরত৷ নিছক আত্মহত্যা না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে,তার তদন্তে নেমেছে পুলিশ৷ পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত কিশোরীর নাম অদ্রিজা মণ্ডল (১৩)৷

মঙ্গলবার দুপুর একটা নাগাদ রক্তাক্ত অবস্থায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে এনআরএস হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷ খতিয়ে দেখা হচ্ছে কিভাবে অদ্রিজার মৃত্যু হল৷ জানা গিয়েছে, মৃত কিশোরীর বাবা লালবাজারের কম্পিউটার সেলের এএসআই৷ ১৩ বছের ওই কিশোরী সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে৷

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আমহার্স্ট স্ট্রিট পুলিশ কোয়ার্টারের ১০ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে কিশোরী৷ এই কিশোরী আত্মহত্যার করেছে,না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তার তদন্ত নেমেছে পুলিশ৷ কিভাবে মৃত্যু জানতে তদন্তকারী অফিসাররা পুলিশ কোয়ার্টারের সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখবে৷ এছাড়া মৃত কিশোরীর বাবা- মায়ের সঙ্গেও কথা বলবে৷

এর আগে নারকেলডাঙায় বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছিল করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ৷ মৃতের নাম ছিল রামকিশোর কেজরিওয়াল (৭০)।

সেই সময় জানা গিয়েছে, রামকিশোর কেজরিওয়াল করোনা আক্রান্ত ছিলেন৷ তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল৷ পরিবারের দু’টি শিশু বাদে বাকি আরও ৪ জন করোনায় আক্রান্ত ছিল৷ প্রত্যেকেই বাড়িতেই হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন৷

ফলে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন রামকিশোরবাবু৷ যদিও পরিবারের দাবি ছিল,কয়েক বছর আগে বেঙ্গল কেমিক্যালের কাছে ২ কোটি টাকা দিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন রামকিশোর কেজরিওয়াল৷

কিন্তু সমস্ত টাকা মেটানোর পরও তিনি ফ্ল্যাট ‘হ্যান্ডওভার’পাননি৷ তার ফলেই রামকিশোরবাবু মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন৷ ১০৮ এর বি নারকেলডাঙা মেইন রোডের বহুতলের ওপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছিলেন রামকিশোর কেজরিওয়াল৷

ভারী কিছু পড়ার আওয়াজ পেয়ে বাড়ির লোকেরা বাইরে বেড়িয়ে দেখেন রামকিশোরবাবু নীচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন৷ খবর দেওয়া হয় পুলিশকে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ডিসি ই এস ডি অজয় প্রসাদ৷ পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়৷

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।