ফাইল ছবি

শংকর দাস, বালুরঘাট: সরকারি হাসপাতালের উপর অনেকেরই আস্থা নেই৷ তাই অনেকে মোটা টাকা খরচ করে বেসরকারি হাসপাতালের পরিষেবা নেন৷ অথচ যমের দুয়ারের মুখ থেকে রোগীকে ফিরিয়ে আনার নজির সরকারি হাসপাতালে ভুরি ভুরি রয়েছে৷ সেই তালিকায় নতুন সংযোজন রবিবার বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের এক প্রসূতির প্রাণ ফিরে পাওয়া৷

জটিল অস্ত্রপচারের প্রাণ ফিরে পেলেন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগিণী। বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসক ও নার্সরা এই অসাধ্য সাধন করেছেন৷ তাঁরা জানিয়েছেন, ওই প্রসূতির পেটের ভিতর ফেলোপিয়ান টিউব ফেটে গিয়েছিল৷ তাঁর অবস্থা এতটাই আশংকাজনক হয়ে পড়ে যে পরিবারের লোকেরা বাঁচার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। শেষপর্যন্ত হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ রঞ্জন মুস্তফী ও নার্সরা জটিল অপারেশনের মাধ্যমে প্রসূতির জীবন ফিরিয়ে দিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হিলি থানার বিনসিরা এলাকার বাসিন্দা দীপা বর্মন নামে এক গৃহবধূ পেটের অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে শনিবার দুপুরে বালুরঘাট হাসপাতালে ভরতি হন। পরীক্ষা করে দেখা যায় মহিলার পেটের দুইটি ফেলোপিয়ান টিউবই ফেটে গিয়েছে। সন্ধ্যে নাগাদ ওই রোগীর অবস্থার অবনতি হয়৷ কমতে থাকে তার হার্ট বিটও। সেই অবস্থাতেই প্রসূতি বিশেষজ্ঞ রঞ্জন মুস্তাফি অপারেশন করেন।

চিকিৎসক রঞ্জন মুস্তাফী জানিয়েছেন যে, মহিলাদের সাধারনত বাচ্চা ধারন হয় জরায়ুতে। কিন্তু দীপা বর্মনের গর্ভ সঞ্চার জরায়ুতে না হয়ে ফেলোপিয়ান টিউবে হয়েছিল। যারফলে দুটি ফেলোপিয়ান টিউবই ফেটে গিয়ে পেটের ভেতর রক্তক্ষরণ হয় ও তা জমাট বেধে যায়। ওই মহিলার সংকট কেটেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ