আমাদের দেশে একটি সাধারণ ও বড়ো সমস্যা চাকরি ও বেকারত্বের (employment) সমস্যা। করোনাকালীন সময়ে ২০২০ সাল থেকেই সেই দুটো সমস্যা আরো বেশি করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

এই সময়ে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। এর ফলে তারা পরিবার সমেত আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন।

ছাঁটাইয়ের পরিমাণ এরপর থেকে যেন আরো বেড়ে গিয়েছে। আবার নতুন কাজ খুঁজে পাওয়াও এই সময়ে কঠিন ব্যাপার।

যারা একেবারে নতুন ও জীবনের প্রথম চাকরিতে জয়েন করবে বলে ভাবছো তাদের কাছে এই সময়টা যথেষ্ট কঠিন মনে হতেই পারে। কিন্তু নিজের চারিত্রিক কিছু গুণ বানাতে হবে।

পাশাপাশি বুদ্ধিবলে লাভজনক সংস্থায় আবেদন করতেও জানতে হবে।

১. অন্য সময় চাকরি যদি হয় সোনার হরিণ, তাহলে করোনাকালীন সময়ে চাকরি হয়ে গেছে একেবারেই দুর্লভ।

আরো পোস্ট- উইকএন্ডে কার খুলছে ভাগ্য

হীরের পেছনে সন্ধানীরা যেমন পাগলের মতো দৌড়াতে থাকে, তেমনি একটি চাকরির পেছনেও মানুষ আপ্রাণ ছুটে বেড়াচ্ছে এই সময়ে।

এত মানুষকে এড়িয়ে আপনাকে সেই পদটি জয় করতেই হবে। এক্ষেত্রে সব ধরনের যোগ্যতার পাশাপাশি নিজেকে টিকিয়ে রাখার জন্য একটু বুদ্ধিমত্তার পদক্ষেপ নিন।

১. এই সময়ে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পরিচয় বা যাকে বলা হয় কন্ট্যাক্ট (personal contact) সেগুলো খুব বেশি কাজে আসে। তাই আপনার সঙ্গে কিংবা আপনার পরিবার অথবা বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভালো কাজের সন্ধান আছে এমন কাউকে বলুন আপনার জন্যে।

এতে ক্ষতি হবে না। কারণ আপনার শুভাকাঙ্খীরা (personal contact) আপনার খারাপ চাইবে না।

২. চমৎকার ও আকর্ষণীয় একটি বায়ো ডাটা (biodata) একজন চাকরিপ্রত্যাশীকে একেবারে উপরে নিয়ে যায়। বায়োডাটার (biodata) সব তথ্যের পাশাপাশি আপনার অতিরিক্ত যোগ্যতা ও কাজের অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্ট করে লিখে দেবেন।

নিজের অন্যান্য গুণগুলিও ছোট করে বলে দিতে ভুলবেন না। এর থেকে বোঝা যাবে আপনি মানুষ হিসেবে কেমন।

সিভি (biodata) তৈরি করে পাঠানোর আগে অভিজ্ঞ কাউকে দেখান। এতে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তিনি ঠিক করে দেবেন।

প্রতিবার আলাদা কোম্পানিতে আবেদনের জন্য কোম্পানি অনুযায়ী আলাদা আলাদা সিভি (biodata) তৈরি করা উচিত।

৩. মনে রাখবেন, আপনি একবরেও সফল নাও হতে পারেন। কিন্তু তাই বলে বিশ্বাস ও ধৈর্য হারালে হেরে যাবেন। তাই চাকরির জন্য অন্য সময়ের চেয়ে এই সময়ে অনেক বেশি ছোটাছুটি করতে হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.