স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: দীর্ঘদিনের দাবি মালদহ রেলগেটে সাবওয়ে তৈরির। প্রত্যাশামতোই সেই দাবি পূরণ হতে চলেছে। আর সেই রেলগেট এলাকায় সাবওয়ে তৈরির জন্য উদ্যোগ নিলেন উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু। এদিন তিনি ওই এলাকা পরিদর্শনে যান ও সাবওয়ে তৈরি ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে কথা বলেন।

মালদহ শহরের প্রাণকেন্দ্র রথবাড়ি এলাকা। সেই এলাকার পাশেই রয়েছে রেললাইন পারাপারের রেল গেট। রেলগেটে ওপারে রয়েছে প্রবাল পল্লী,সানিপার্ক, অমৃতি, মানিকচক সহ একাধিক এলাকা। সেই সমস্ত এলাকার একাধিক মানুষকে এই রেল গেট পেরিয়ে শহরে ঢুকতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই রেলগেট পড়ে থাকলে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় অসুস্থ ব্যক্তি ও স্কুল পড়ুয়াদের ব্যস্ত সময়ে রেলগেট পার করতে অনেক ঝুঁকি পোহাতে হয়।

যার ফলে, সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যায় না। আর এই রেলগেট পার করতে গিয়ে অনেক বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। ফলে এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিন ধরেই দাবি ছিল, এই রেলগেট এলাকায় একটি সাব ওয়ে তৈরি করা হোক। তা বিভিন্ন কারণে, বিভিন্ন সময় রেল কর্তৃপক্ষরা দেখে গেলও এতদিন তা তৈরি হয়নি। তবে এদিন যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাতে স্বাভাবিক ভাবে খুশি এলাকার বাসিন্দারা।

এই বিষয়ে উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ”এই রেলগেটটি নিয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিল। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার বাসিন্দাদের দাবি ছিল সাবওয়ে তৈরির। এদিন সেই মতো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করেছি। এর সঙ্গে যুক্ত যে সমস্ত ইঞ্জিনিয়াররা আছে আমি তাদের সঙ্গে কথাও বলেছি। ডিআরএম সাহেবের সঙ্গে কথা বলেছি। ইঞ্জিনিয়ারিং দফতরকে ধরেই আমরা এখানে এসেছি। ইঞ্জিনিয়াররা সাবওয়ে তৈরির পেপারের কাজ শুরু করে দিয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প রাস্তা ও খোঁজার কাজ শুরু হয়েছে। ওরা কুড়ি দিনের মধ্যে কাজটা শুরু করবে। এই সাবওয়ে তৈরি করতে ১০ মাস সময় লাগবে। যত দ্রুত সম্ভব এই সাবওয়ে তৈরির কাজ করা হবে। এই বিষয়ে আমরা ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে কথা বলেছি।”

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও